প্রকাশ: সোমবার, ৫ মে, ২০২৫, ১২:৩১ পিএম

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এর নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. হযরত আলী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নিয়েছেন। আজ সোমবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে প্রায় ১২০০ শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে এই আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় উপাচার্যের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কুয়েটের ফ্যাকাল্টি ডিনগন ও ছাত্র কল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ ইলিয়াম।
মতবিনিময়কালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হযরত আলী বলেন, “কুয়েটের সাম্প্রতিক ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্বের দাবি রাখে। এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো ক্লাস শুরু করা। আমি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের যেসব দাবি রয়েছে, তা খোলামেলাভাবে উপস্থাপন করার সুযোগ রয়েছে।
আলোচনায় উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী উপল গত আড়াই মাসে ঘটে যাওয়া ঘটনার ওপর একটি ৩০ মিনিটের প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের ছয় দফা দাবি ছিল, যার একটি ছিল উপাচার্যের পদত্যাগ। বাকি পাঁচ দফার কিছু অংশ মেনে নেওয়া হলেও, মূল দাবি হামলায় জড়িতদের এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি।
এরপর প্রতি ব্যাচের পক্ষ থেকে একজন করে শিক্ষার্থী বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাবনা করেন। এরমধ্যে অন্যতম ছিলো স্থানীয়দের দ্বারা কুয়েট শিক্ষার্থীদের ওপর এখন পর্যন্ত তিনবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। এছাড়া, আবাসিক সংকট নিরসনে হলের সংখ্যা বৃদ্ধির দাবি তোলা হয়।
উল্লেখ্য, কুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি গতকাল অধ্যাপক ড. মো. সাহিদুল ইসলাম বলেন, “১৮ই ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ সভায় শিক্ষকদের লাঞ্ছনার ঘটনায় দোষীদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস না নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেটি এখনো বহাল রয়েছে।”
সর্বশেষ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাদের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে দ্রুত ক্লাস শুরু করার জোর দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি বিচারের দাবিও জানানো হয়।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর