প্রকাশ: সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ৫:২৪ পিএম আপডেট: ২১.০৪.২০২৫ ৫:৩২ PM

২০২৩ সালে বাংলাদেশ কর ফাঁকির কারণে প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে-এমনটাই জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
সোমবার (২১ এপ্রিল) সিপিডির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
গবেষণায় বলা হয়েছে, এই বিশাল অঙ্কের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ অর্থাৎ ১ লাখ ১৩ হাজার ১১৮ কোটি টাকা করপোরেট কর ফাঁকির কারণে হারিয়েছে সরকার।
সিপিডির তথ্য অনুযায়ী, কর ফাঁকির প্রবণতা বাড়ছে। ২০১২ সালে কর ফাঁকি ছিল প্রায় ৯৬ হাজার কোটি টাকা, যা ২০১৫ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকায়।
সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পথে। এই সময় কর ফাঁকির মতো সমস্যা দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এলডিসি উত্তরণের পর বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, কর ফাঁকির ঝুঁকিও তেমনই বাড়বে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু কর ফাঁকি নয়, নানা ধরনের কর ছাড় ও প্রণোদনার কারণেও সরকার প্রতিবছর বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। এগুলো বিনিয়োগের টেকসই উপায় নয়।’
তিনি বলেন, কর ফাঁকি ছাড়াও প্রণোদনা ও কর ছাড়ের কারণে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমাণে রাজস্ব হারাচ্ছে। বিনিয়োগের কথা বলে বিভিন্ন খাত ভিত্তিক কর ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ করা উচিত। প্রণোদনা বা কর ছাড় বিনিয়োগের ভিত্তি হতে পারে না বলেও জানান তিনি।
সিপিডির গবেষণায় দেশে কর ফাঁকি হওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ উঠে উঠেছে। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো:- উচ্চ কর হার, প্রশাসনিক দুর্বলতা, জটিল আইনি কাঠামো এবং কর ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক দুর্নীতি উল্লেখ করেছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম