প্রকাশ: বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫, ৮:২৬ পিএম

সংঘাতের রাজনীতি কখনো মঙ্গল বয়ে আনে না বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে স্থানীয় ধানসিঁড়ি রিসোর্টে হাতিয়া প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মত বিনিময়ে আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, সংঘাতের রাজনীতি সমাজে বিভেদ, বিদ্বেষ ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে। যা দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও শান্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। গণতন্ত্র ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তখনই সুসংহত হয়, যখন মতপার্থক্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হয় এবং সহনশীলতার চর্চা করা হয়। বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় সংঘাত পরিহার করে সকল পক্ষকে পরমত সহিষ্ণু দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে কাজ করতে হবে। সংঘাতের রাজনীতি কখনো মঙ্গল বয়ে আনে না। আমাদের হাতিয়া দ্বীপকে তথা বাংলাদেশকে উন্নয়নের জন্য আমরা সকলে যার যার পর্যায় থেকে কাজ করতে হবে। সকলের একান্ত আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা সুন্দর দেশ গড়তে পারবো।
তিনি আরো বলেন, গত ২৪ মার্চ হাতিয়ার জাহাজমারা বাজারের আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীদের হামলায় ঘটনায় ৫৪ জন নেতা কর্মী আহত হয়। আমি সেদিন সংঘাতে জড়ালে পুরো হাতিয়ায় সংঘাত সৃষ্টি হতো। থানায় মামলা করার প্রস্তুতিও নিয়েছিলাম। কিন্তু বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের আশ্বাস, পরিশুদ্ধ দলীয় রাজনীতি করার চর্চার প্রতিশ্রুতি সহ রাজনৈতিক বিচার বিশ্লেষনে সংঘাত পরিহার করার বিষয়ে সকলের মতামতটি অধিকতর গুরুত্ব পায়। একজন তরুণ হিসেবে শুরুতে বৃহৎ দলের সাথে মামলা মোকদ্দমার বিষয়টি উভয়দলের মূল রাজনৈতিক কর্মকান্ডকে প্রকৃতপক্ষে প্রতিহত করবে। স্থানীয় রাজনীতিতে চোর পুলিশ খেলা প্রকৃত উন্নয়ন কর্মকান্ডকে বাধাগ্রস্ত করবে। সিনিয়র নেতৃবৃন্দের এমন পরামর্শ আসলে আমার চিন্তা ভাবনাকে আন্দোলিত করে। পরে এ বিষয়ে স্থানীয় বড় দলের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নামে মামলা মোকদ্দমা দেয়া থেকে আমি নিরুসাহিত হই।
তবে যারা সন্ত্রাসী তাদেরকে অবস্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। কারণ সন্ত্রাসীদের কোন দল নেই। তারা নিজেদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য রাজনৈতক দলের আশ্রয় নেয়। তাদের বিষয়ে প্রশাসনসহ সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সচেতন থাকতে হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর