প্রকাশ: রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫, ১:২৩ পিএম

সংগৃহীত ছবি
প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ করতে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এবার স্বস্তিতে বাড়ি ফিরেছেন মানুষ। ফলে আজও স্টেশনে হাজির হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
আজ ট্রেনে ঈদযাত্রার সপ্তম ও শেষ দিনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেলেও সময় অনুযায়ী চলছে প্রায় ৯৮ শতাংশ ট্রেন। ফলে স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যাত্রী জটলার দৃশ্য চোখে পড়েনি। বিগত যে কোনো ঈদের চেয়ে দুর্ভোগ কম পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। তাছাড়া শিডিউল অনুযায়ী ট্রেন চলায় যাত্রী তথা রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বেশ খুশি।
রবিবার (৩০ মার্চ) রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কমলাপুর রেল স্টেশনে একেকটি প্ল্যাটফর্ম আর ট্রেনে লোকে লোকারণ্য, কিছুটা দুর্ভোগ থাকলেও সবার মুখেই ছিল হাসি। ট্রেনের ভেতরে জায়গা না পেয়ে অনেক যাত্রী দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করেছেন। এসি-কোচ ছাড়া প্রতিটি কোচ যাত্রীতে পূর্ণ ছিল, এমনকি ভেতরে প্রবেশ করাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। শত শত যাত্রী ট্রেনের ছাদে বসে ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেন, যদিও রেলওয়ে কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করেছে। নকল টিকিটধারী যাত্রীদেরও প্রতিরোধের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো: আফজাল হোসেন বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকে যাত্রীদের চাপ একটু বেশি। আমাদের একটি ট্রেনে একটু সমস্যা হয়েছিলো সেটা লালমনিরহাট এক্সপ্রেসে। ট্রেনটিতে অতিরিক্ত যাত্রী ছিলো।
তিনি বলেন, আমাদের ফিরতি যাত্রার জন্য একই ব্যবস্থাপনা রয়েছে। আশা করছি যারা বাড়ি গেছেন তারা স্বস্তিতে ফিরতে পারবেন।
কমলাপুর রেলস্টশনের কর্মকর্তা (স্টেশন মাস্টার) আনোয়ার হোসেন জানান, স্টেশনে যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড় থাকলেও দুর্ভোগ পোহাতে হয়নি। ৪৬টি আন্তঃনগর ট্রেনের মধ্যে ৩টি ট্রেন সামান্য বিলম্বে ছেড়েছে, তাও ছাদ থেকে লোক নামাতে গিয়ে কিছুটা বিলম্বে ট্রেন দুটি ছেড়ে যায়। সকাল ১১ টা পর্যন্ত মোট ২২ টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন রুটে ছেড়ে গেছে। এরমধ্যে ধূপকেতু ৩০ মিনিট দেরি করেছে, জামালপুর এক্সপ্রেস ১০ মিনিট ও লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ১০ মিনিট দেরিতে ছেড়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর