
ঝিনাইদহের ৪টি ১০ শয্যার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন রয়েছে, তবে চিকিৎসা সেবা নেই। এই হাসপাতালগুলো নির্মাণ করা হয়েছে গর্ভবতী মায়েদের সিজার ও শিশুদের চিকিৎসার জন্য, কিন্তু জনবল সংকটের কারণে তা কার্যকর হয়নি।
হাসপাতালগুলোর মধ্যে যন্ত্রপাতি, শয্যা এবং ডরমেটরি রয়েছে, এমনকি বিদ্যুৎ চলে গেলেও বিকল্প হিসেবে জেনারেটরও স্থাপন করা হয়েছে। তবে, চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্টাফের অভাবে হাসপাতালগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না। এর ফলে এলাকাবাসী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
২০১৮ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এসব হাসপাতাল উদ্বোধন করা হলেও ৬ বছরেও হাসপাতালগুলো সম্পূর্ণভাবে চালু হয়নি। বর্তমানে এই হাসপাতালগুলোতে কোনো চিকিৎসক নেই, যা রোগীদের চিকিৎসার প্রক্রিয়াকে আটকে রেখেছে।
এলাকাবাসী জানান, তারা বারবার সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে জনবল নিয়োগের জন্য দাবি করেছেন, কিন্তু কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
শৈলকুপা উপজেলার দুধসর, সদর উপজেলার দক্ষিণ কাষ্টসাগরা, কালীগঞ্জ পৌরসভা এবং শৈলকুপার কাচেঁরকোল গ্রামে অবস্থিত হাসপাতালগুলো জনবল সংকটের কারণে নষ্ট হতে চলেছে। স্থানীয়রা প্রথমে হাসপাতালটি পেয়ে খুশি হলেও, সেবা না পেয়ে এখন হতাশ। তাদের অভিযোগ, হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, ওষুধ এবং অন্যান্য সেবা নেই।
হাসপাতালগুলোতে সেবা নিতে আসা রোগীরা জানান, হাসপাতালটি উদ্বোধন হলেও আমরা কোনো সেবা পাইনি। এখানে কোনো চিকিৎসক বা নার্স নেই, আর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় না। তারা আরও জানান, সেবা না পাওয়ায় অনেক সময় জেলার সদর হাসপাতালে বা বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হয়, যা তাদের জন্য একটি বড় ভোগান্তি।
ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মোজাম্মেল করিম বলেন, “হাসপাতালগুলো উদ্বোধন করা হলেও, জনবল সংকটের কারণে তা পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি।
স্বদেশ প্রতিদিন/কেএইচ