প্রকাশ: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১২ পিএম

সংগৃহীত ছবি
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঐতিহাসিক ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নাগরপুর সরকারি কলেজ মাঠে সমবেত হন। পরে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য মো. রবিউল আওয়াল লাভলুর নেতৃত্বে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নাগরপুর মহিলা কলেজ মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আহাম্মদ আলী রানার সভাপতিত্বে এবং উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম নবার সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মো. রবিউল আওয়াল লাভলু।
সভায় আরও বক্তব্য দেন নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বর্ডির সভাপতি মনোয়ারা বেগম মুকুল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান হবি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক আহমেদ খান ফারুক ও মো. ফরহাদ হোসেন ডেভিড, উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য মো. আতিকুর রহমান আতিক, খন্দকার ওয়াহিদ মুরাদ ও খন্দকার নুরুল মোমেন কায়েস কোমল, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. নাজমুল হক স্বাধীন ও ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মো. নজরুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. আবুল কাশেম মানিক ও সদস্য সচিব মো. জিহাদ হোসেন ডিপটি, কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ হাসান এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মীর খালিদ মাহবুব রাসেল।
এ সময় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঘটনাবহুল দিন। সিপাহি-জনতার ঐক্য, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের মুক্তিসহ ওই সময়ের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের কারণে দিনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এ দিনটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।