জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

সংগৃহীত ছবি
মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু।
দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি বলেন, ‘৭ নভেম্বর জনতার শক্তি, একতার জয়।’ বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও স্মরণীয় দিন। জাতীয় ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেতনায় দিনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদলের দিন। তৎকালীন সংকটময় পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত ভূমিকা জাতীয় ইতিহাসে একটি স্বতন্ত্র অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। এ দিনের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় সংহতির আলোচনায় বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব, সাহসিকতা, দেশপ্রেম এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর অবদান জাতির ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়। দেশের স্বাধীনতা, জাতীয় মর্যাদা ও স্বকীয়তা সমুন্নত রাখার প্রশ্নে তাঁর রাজনৈতিক দর্শন এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উপলব্ধি করার সুযোগ সৃষ্টি করে। একটি রাষ্ট্রের অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতার জন্য জনগণের মধ্যে ঐক্য, সহনশীলতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভেদ দূর করে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, জাতীয় ঐক্য ও সংহতির চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাবে। মানুষের মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।
রূপগঞ্জের মানুষের প্রতি বিশেষ শুভেচ্ছা জানিয়ে সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, রূপগঞ্জের উন্নয়ন, মানুষের জীবনমানের অগ্রগতি এবং এলাকার সার্বিক কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দল-মত নির্বিশেষে এলাকার মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রেখে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় জীবনের যেকোনো সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জনগণের ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি। দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।
শুভেচ্ছাবার্তার শেষাংশে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশবাসীর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনা হোক জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রেরণা।