প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪২ পিএম

পূজার ছুটিতে সুন্দরবনের কটকা-কচিখালীতে পর্যটকদের ঢল
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে সুন্দরবনের কটকা এবং কচিখালী অভয়ারণ্য এলাকায় পর্যটকদের ঢল নেমেছে। বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার পর্যন্ত কটকা ও কচিখালী ঘুরে গেছেন প্রায় ৩ হাজার পর্যটক। সুন্দরবনের মায়াবী চিত্রল হরিণ কাছ থেকে দেখা, বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ পর্যবেক্ষণ করা এবং বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবনকে একসঙ্গে অনুভব করতে পর্যটকদের পছন্দের অন্যতম স্থান কটকা ও কচিখালী অভয়ারণ্য। পূজার টানা ছুটিতে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থানগুলো।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের পর্যটন স্পট কটকা অভয়ারণ্য এলাকার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানভীর হাসান ইমরান মুঠোফোনে জানান, গত বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবারে ৭০টি পর্যটনবাহী জাহাজে তিন হাজারের অধিক পর্যটক কটকা অফিসপাড়া এবং জামতলা সি-বিচ ঘুরে দেখেছেন। কটকায় চিত্রল হরিণ, বানর, শূকর, মদনটাক পাখিসহ বন্যপ্রাণী কাছ থেকে দেখে পর্যটকরা আনন্দিত হচ্ছেন বলে তিনি জানান।
ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াস)-এর সহ-সভাপতি মো. মাজহারুল ইসলাম কচি বলেন, আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিকসংখ্যক পর্যটক এখন সুন্দরবনে যাচ্ছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে পর্যটকেরা সুন্দরবনমুখী হয়েছেন। ২০ অক্টোবর থেকে তিন দিন সুন্দরবনে যাওয়ার জন্য টোয়াসের ৭০টি জাহাজে পর্যটকরা আগাম বুকিং দিয়ে রেখেছেন।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ, বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী জানান, টানা তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশাধিকার বন্ধ থাকার পর ১ সেপ্টেম্বর সুন্দরবন খুলে দেওয়া হয়েছে। সুন্দরবন এখন নতুন করে সেজেছে। সুন্দরবনে হরিণ, বাঘসহ বন্যপ্রাণী বেড়েছে। পর্যটকেরা আসা-যাওয়া করছেন। পর্যটকরা নৌযানে বসে মাঝে মধ্যে বাঘকে খাল সাঁতরে পার হতে দেখছেন। দুর্গাপূজার ছুটিতে ব্যাপকসংখ্যক পর্যটক সুন্দরবনে যাচ্ছেন বলে ডিএফও জানিয়েছেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ