প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩০ পিএম আপডেট: ২৪.১০.২০২৬ ৩:৪১ PM

জামালপুর-শেরপুর ব্রহ্মপুত্র সেতুতে পাঁচ টাকা টোল দিতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে এক যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে জামালপুর-শেরপুর মহাসড়ক অবরোধ করেন বিক্ষুব্ধ লোকজন। এতে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্রহ্মপুত্র সেতুতে টোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে ওই যুবকের সঙ্গে টোল আদায়ের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পাঁচ টাকা টোল দিতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে ওই যুবককে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
আহত ওই যুবক ঢাকা প্রতিদিন’ পত্রিকার জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল ইসলামের ছেলে সাদিকুর রহমান সুমন বিকেলে তার বাবার মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হন। মোটরসাইকেলটিতে ‘প্রেস’ স্টিকার লাগানো ছিল। ব্রহ্মপুত্র সেতুর টোলপ্লাজায় মোটরসাইকেলটি পাশে রেখে পাঁচ টাকা টোল দিতে সামান্য দেরি হওয়ায় টোলপ্লাজার কর্মীরা তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন সুমন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। অভিযুক্তদের বিচারের দাবি জানিয়ে তাঁরা জামালপুর-শেরপুর মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে সড়কের দুই পাশে যানবাহন আটকে পড়ে। ভোগান্তিতে পড়েন বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতকারী যাত্রী ও পরিবহনচালকেরা।
এদিকে ভুক্তভোগী সুমন বলেন, আমি টোল প্লাজার পাশে গাড়ি থামিয়ে টাকা দিতে দেরি করায় আমাকে মারধর করা হয়েছে। যারা আমাকে মেরেছে দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকের ছেলে বা অন্য কেউ এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেহেতু সড়ক অবরোধের ঘটনাটি জামালপুর অংশে, তাই জামালপুরের পুলিশও বিষয়টি তদারকি করবে।
জামালপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল জান্নাত শাহ বলেন, আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে সড়ক অবরোধ তুলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করি দ্রুত সময়ে বিষয়টি সমাধান হলে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হবে।
অবরোধকারীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান।।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি