প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৮ পিএম

সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিরা আসছেন, সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশের ছবি তুলছেন, শুনছেন স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা। দিচ্ছেন সংস্কারের আশ্বাসও। এভাবে কেটে গেছে প্রায় সাত মাস। কিন্তু এখনো শুরু হয়নি সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কাজ।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ছোট সেতুর চিত্র এটি। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ সেতুটির এক পাশের ঢালাই ধসে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বেরিয়ে আছে বাঁকা লোহার রড। এতে সেতু দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন ও পথচারীদের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর এক পাশের বড় অংশ ভেঙে পড়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয়রা গর্তের পাশে বাঁশ পুঁতে লাল কাপড় বেঁধে সতর্কসংকেত দিয়েছেন। তবে রাতে পর্যাপ্ত আলো না থাকলে এ স্থানে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় সাত মাস ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধি সেতুটি পরিদর্শন করে ছবি তুলেছেন এবং সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।
সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন ইজিবাইক, নসিমন, করিমন, মোটরসাইকেল ও সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। পাশাপাশি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ পথচারীরা এ পথ ব্যবহার করেন। সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশের কারণে তাঁদের চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আকিল হোসেন বলেন, সেতুটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের কারণে চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে। এক পাশের যানবাহন অন্য পাশকে জায়গা দিতে গেলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।
এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের আশ্বাস পেলেও কাজ শুরু না হওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সেতুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আনিসুর রহমান বলেন, সেতুটি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ঠিকাদার নিয়োগ হলেই কাজ শুরু হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি