প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২০ পিএম

চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নের দুয়ারু গ্রামের আজগর আলী মাঝি বাড়ি ও জেবত আলী ভূঁইয়া বাড়ির দেলোয়ার ও ফরিদ ভূঁইয়ার ঘরে নেশাজাতীয় বা বিষাক্ত দ্রব্য মিশিয়ে রাখা তরকারি খেয়ে দুই পরিবারের দুই শিশুসহ ১০ জন অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে দুইজন।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাতের খাওয়ার পর তারা একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন গৃহকর্তা ফরিদ আহম্মদ ভূঁইয়া।
পরিবারের অন্য অসুস্থ ব্যক্তিরা হলো দেলোয়ার হোসেনের (৭০) স্ত্রী দেল আফরোজ বেগম (৬০) ছেলে আরিফ হোসেন (৩৫) পরিবারের অন্যান্য সদস্য জাকিয়া সুলতানা (২৫) ফারজানা আক্তার (২৮)। ফরিদ আহম্মদ ভূঁইয়ার(৬৫) স্ত্রী হাসিনা আক্তার (৫০) পরিবারের অন্যান্য সদস্য আফরোজা ইরি(২৫) শিশু নাইসা।
অসুস্থ আরিফ হোসেন বলেন রাত সাড়ে ৮ টার সময় আমার বাবা ভাত খেয়ে দোকানের দিকে যায়। তার খারাপ লাগলে বাড়িতে নিয়ে আশার সাথে সাথে অসুস্থ হয়ে পড়ে আমি ও তার সাথে সাথে অসুস্থ হয়ে পড়ি একে একে পরিবারের সব সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা বেলায়েত হোসেন জানান, গতকাল রাতে দুই পরিবারের সদস্যরা রাতে খাওয়ার পর বমি করে ও অসুস্থ হয়ে পড়ে । একপর্যায়ে সবাই চেতন হারিয়ে ফেলে।
বাড়িতে ডাক্তার আসে ও দুই জনকে রাতে মীরসরাই জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
আরিফ আরো জানান চুরি বা ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে,কেউ রান্নাঘরে ডুকে রানা করা তরকারিতে নেশাজাতীয় কিছু মিশিয়ে দিয়েছে। সেই খাবার খেয়ে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। গভীর রাতে হলে বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো।
মীরসরাই জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের
চিকিৎসক বলের একই পরিবারের দুইজনকে গতরাতে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাবারের সঙ্গে নেশাজাতীয় কিছু মেশানো হয়েছিল।
মীরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন জানান,এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পুলিশ সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে, তার পাশাপাশি রাতে শোয়ার সময় প্রত্যেকের দরজা জানালা ভালো করে বন্ধ করে, খাবার নিরাপদ স্থানে রাখার আহবান করেন খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ