প্রকাশ: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৫ AM

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ মানবিক কারণে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
মঙ্গলবার নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও সহায়তা দিয়ে আসছে। তবে শুধু মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে।
বৈঠকে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন এবং মর্যাদা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোকে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে তুলে ধরা হয়।
জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বৈঠকটি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব—দুই বিষয়কেই সামনে নিয়ে আসে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি