
জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণে বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি আরও বড় হতে যাচ্ছে। বিমানের জন্য অতিরিক্ত ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠানটি হবে বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১৫ মিনিটে।
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে চুক্তি স্বাক্ষরের কথা
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের উপস্থিতিতে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে বোয়িংয়ের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ড. ব্রেন্ডন নেলসনের।
আগের চুক্তিতে ছিল ১৪টি উড়োজাহাজ
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের ওই চুক্তিতে ছিল আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স।
নতুন করে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হলে বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের মোট অর্ডারের সংখ্যা দাঁড়াবে ২৫টিতে।
নতুন উড়োজাহাজের মডেল ও মূল্য এখনো প্রকাশিত হয়নি
তবে নতুন চুক্তির আওতায় কোন মডেলের উড়োজাহাজ কেনা হবে, সেগুলোর মোট মূল্য কত হবে, কীভাবে অর্থায়ন করা হবে এবং কবে নাগাদ উড়োজাহাজগুলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হবে—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে নতুন ১১টি বোয়িংয়ের মডেল, মূল্য, অর্থায়ন কাঠামো এবং সরবরাহের সম্ভাব্য সময়সূচি অপ্রকাশিত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটে পরিচালন সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ বিষয়ে নতুন চুক্তির বিস্তারিত শর্ত ও উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ পরিকল্পনা প্রকাশের পরই পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি