প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পিএম

সাগরের বুক চিরে জেলেদের জালে এখন ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ ধরা পড়ছে। তবে এসব ইলিশের বেশির ভাগই আকারে ছোট। চট্টগ্রামের ব্যস্ত নতুন ফিসারি ঘাটে গেলেই চোখে পড়ছে ছোট ইলিশের রুপালি ঝলক।
জেলে ও ব্যবসায়ীদের দাবি, ঘাটে আসা এসব ইলিশ মূলত ছোট জাতের। অনেক ইলিশের পেটেই ডিম পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ঘাটে ছোট ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও বড় আকারের ইলিশের দেখা মিলছে কম।
ছোট ইলিশেও চড়া দাম
ঘাটে ইলিশের সরবরাহ থাকলেও দামে স্বস্তি নেই ক্রেতাদের। চট্টগ্রামের নতুন ফিসারি ঘাটে প্রতি মণ ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা দরে।
ফলে বাজারে ইলিশের প্রাচুর্য দেখা গেলেও সাধারণ ক্রেতাদের জন্য তা খুব একটা স্বস্তির খবর হয়ে উঠছে না। ছোট ইলিশের দামও অনেক ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
বড় ইলিশ যেন বিলাসপণ্য
বড় আকারের ইলিশ এখন অনেকটা আভিজাত্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। আকার বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও বেড়ে যাচ্ছে। ফলে মধ্যবিত্ত পরিবারের খাবারের তালিকায় বড় ইলিশ রাখা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইলিশের বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতির পেছনে শুধু মাছের সরবরাহ নয়, উৎপাদন ও পরিবহনের বিভিন্ন খরচও প্রভাব ফেলছে।
জ্বালানি ও পরিবহন খরচের প্রভাব
ব্যবসায়ীদের মতে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, জেলেদের পারিশ্রমিক, পরিবহন ব্যয় এবং আনুষঙ্গিক নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ইলিশের বাজারে তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে।
ফলে সাগর থেকে প্রচুর ইলিশ ঘাটে এলেও খুচরা বাজারে দাম কমছে না। বিশেষ করে বড় ইলিশের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে থাকছে।
চট্টগ্রামের নতুন ফিসারি ঘাটে এখন রুপালি ইলিশের জৌলুস চোখে পড়ার মতো। কিন্তু সেই প্রাচুর্যের মাঝেও বড় ইলিশের জন্য ক্রেতাদের অপেক্ষা আর দীর্ঘশ্বাস যেন কাটছেই না।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি