প্রকাশ: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:৩১ AM

সংগৃহীত ছবি
গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় একদিনে আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এ হামলা হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে সতর্ক করেছে হামাস। সংগঠনটি ইসরাইলকে নিয়ন্ত্রণে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
গাজা সিটি এবং খান ইউনূসের বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর বোমাবর্ষণে বৃহস্পতিবার হতাহত হন বহু মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতির পর এটিই সর্বাধিক প্রাণহানির ঘটনা।
হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, এ ধরনের হামলা যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন এবং সহিংসতা বাড়িয়ে দিতে পারে। তারা বলছে, অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হলে ইসরাইলের এসব আগ্রাসন বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট ভূমিকা নিতে হবে।
অধিকৃত পশ্চিম তীরেও দমন-পীড়ন অব্যাহত রয়েছে। জেনিন, তুলকারেম ও নুর শামস শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি অভিযানে বহু মানুষ হতাহত হয়েছে। হামাসের দাবি, চলতি বছর এই তিন এলাকা থেকে ৩২ হাজার ফিলিস্তিনিকে জোর করে বাস্তুচ্যুত করেছে ইসরাইল; যা তাদের মতে যুদ্ধাপরাধ।
এদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজার ইয়েলো লাইন এলাকায় তেল আভিভের দিকে তাক করা একটি রকেট লঞ্চার এবং একটি বড় অস্ত্রভাণ্ডার জব্দ করা হয়েছে।
গাজার গণমাধ্যম কার্যালয় বলেছে, ইসরাইলি বাহিনী সীমান্তের ইয়েলো লাইনের নিয়ন্ত্রণ এলাকা ৩০০ মিটার বৃদ্ধি করে নতুনভাবে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করেছে। ট্যাঙ্কসহ সেনারা গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলে অগ্রসর হয়েছে বলেও জানানো হয়।
গাজায় হামলা অব্যাহত থাকায় কাতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দেশটি বলেছে, ইসরাইলের এমন আচরণে বর্তমান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে। যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পক্ষগুলোর তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে কাতার।