প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:৪৪ পিএম

সংগৃহীত ছবি
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের শেয়ারবাজারে উল্লেখযোগ্য উত্থান হয়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার পাশাপাশি সব মূল্যসূচকই উর্ধ্বমুখী ছিল। একই সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদাম বাড়ায় মূল্যসূচক বেড়েছে, যদিও লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। ফলে টানা দুই কার্যদিবস ধরে দুই বাজারেই মূল্যসূচক বৃদ্ধি অব্যাহত থাকল।
দিনের শুরু থেকেই ডিএসইতে বেশিরভাগ শেয়ারের দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত এই ধারা বজায় থাকে। ফলে দিনের শেষে দাম বাড়ার তালিকায় যুক্ত হয় বড় সংখ্যক কোম্পানি এবং সব সূচকেই উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা যায়।
লেনদেন শেষে ডিএসইতে ৩২০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে; কমেছে ৩৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির।
ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭২টির শেয়ার মূল্য বেড়েছে। দাম কমেছে ২৩টির এবং ১৬টির দাম স্থির রয়েছে। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ প্রদানকারী মাঝারি মানের ৭০ কোম্পানির শেয়ারদাম বেড়েছে; কমেছে মাত্র ৪টির।
লভ্যাংশ না দেওয়ায় ‘জেড’ গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৭৮টির দাম বেড়েছে, ১১টির কমেছে এবং ৩টির অপরিবর্তিত রয়েছে। ৩৫টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৫টির দাম বেড়েছে, ২টির কমেছে এবং ৮টির দাম স্থিতিশীল ছিল।
এর ফলে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৭১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮৪৬ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৮৮৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।
ডিএসইতে লেনদেনও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাজারটিতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৭৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৩৪৮ কোটি ৫ লাখ টাকার তুলনায় ১২৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বেশি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১৫৭ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৭০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪০টির দাম বেড়েছে, ১৬টির কমেছে এবং ১৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মোট লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ১৩ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ১৪ কোটি ৬ লাখ টাকার তুলনায় কম।