প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৪৫ পিএম

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান (সচিব) মকসুমুল হাকিম আজ যশোর শহরতলীর পুলেরহাট এলাকায় মুক্তেশ্বরী নদী পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, নদী রক্ষায় কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যই তিনি টিম নিয়ে পরিদর্শনে এসেছেন।
যশোরের বিভিন্ন নদী যেমন মুক্তেশ্বরী, টেকা, ভৈরব ও অন্যান্য খাল নদী দখল করে নেওয়ার কারণে স্থানীয় এলাকায় বৃষ্টিপাতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এসব নদী ও খালের দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসন এবং নদী রক্ষার আন্দোলনে জড়িত সংগঠনগুলি দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল।
মুক্তেশ্বরী নদী পরিদর্শনকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, যশোর শহরের আদ্ব-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নদীর একটি বিশাল অংশ দখল করে ব্যবহার করছে। পরিদর্শন শেষে নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মকসুমুল হাকিম ওই জায়গাটি ঘুরে দেখে সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে জমি উদ্ধার করতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এছাড়া, মুক্তেশ্বরী বাঁচাও আন্দোলন কমিটির নেতৃবৃন্দও চেয়ারম্যানের কাছে তাদের দাবির স্মারকলিপি দেন। তারা নদী দখল মুক্ত, খনন এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। স্মারকলিপিতে আনিল বিশ্বাস, রাশেদ খান, হারুন অর রশিদ, তসলিম উর রহমান এবং আবু হাসানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময়, মকসুমুল হাকিম বলেন, “নদী রক্ষায় সরকার ইতোমধ্যেই বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং আমরা সবাই মিলে এই উদ্যোগগুলো আরও কার্যকরীভাবে বাস্তবায়ন করতে কাজ করব।” তিনি আরও জানান, নদী রক্ষা একটি জাতীয় প্রাধান্য বিষয়, এবং এটি বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন এবং জনগণের সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিনের পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ভূমি প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ।
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে