প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৫৯ পিএম

পাকিস্তান থেকে পাখির খাদ্য হিসেবে আসা দুই কনটেইনারে পাওয়া গেছে আমদানি নিষিদ্ধ পপি বীজ।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) চট্টগ্রাম কাস্টমসের কর্মকর্তারা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রামের কোরবানিগঞ্জের মেসার্স আদিব ট্রেডিং নামের প্রতিষ্ঠানটি পাকিস্তান থেকে এই চালান আমদানি করে। নথি অনুযায়ী, এতে ৩২ টন পাখির খাদ্য থাকার কথা ছিল। চালান দুটি ৯ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দরে আসে এবং পরে খালাসের জন্য ছাবের আহম্মেদ টিম্বার কোম্পানি লিমিটেড নামের বেসরকারি ডিপোতে স্থানান্তর করা হয়।
এরপর গোপন সূত্রে তথ্য পাওয়ার পর কাস্টমস কর্মকর্তারা চালানটির খালাস স্থগিত করে পরীক্ষা শুরু করেন। ২২ অক্টোবর কনটেইনার দুটি খোলার পর দেখা যায়, ভেতরে রাখা হয়েছে ২৫ টন পপি বীজ এবং মাত্র ৭ টন পাখির খাবার। পণ্য গোপন রাখতে কনটেইনারের দরজার মুখে পাখির খাদ্যের বস্তা রাখা হয়েছিল বলে জানায় কাস্টমস।
নমুনা পরীক্ষার জন্য তিনটি পৃথক পরীক্ষাগারে পাঠানো হলে নিশ্চিত হওয়া যায়, উদ্ধারকৃত বস্তু অঙ্কুরোদ্গম উপযোগী পপি বীজ।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী অঙ্কুরোদ্গম উপযোগী পপি বীজ ‘ক’ শ্রেণির মাদক’ হিসেবে বিবেচিত। আমদানি নীতি আদেশেও এর আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের উপকমিশনার এইচ এম কবির বলেন, “আমরা প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকার পপি বীজ জব্দ করেছি। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আমদানি–নিষিদ্ধ পণ্য আনার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে