
সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কর্তৃক ঘোষিত ৩১ দফার প্রচারণা ও উঠান বৈঠক
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, গত ১৫ বছর একটি শাসন ব্যবস্থা ছিলো, যেখানে জুলুম, অত্যাচার ও নিপীড়নের অনেক কাহিনী ঘটেছে। মামলা খেয়েছেন, ঘর ছাড়া থেকেছেন; এই কাহিনী আপনাদের সবারই জানা আছে। এই জুলুম-অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য গত বছরের জুলাই-আগস্টে যে আন্দোলন, সংগ্রাম এবং অভ্যুত্থান হয়েছে, জনগণ সেই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরশাসককে এই দেশ থেকে বিতারিত করেছে।
তিনি বলেন, আমরা রাস্তায় নেমেছি, জেলে গিয়েছি, পুলিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে বুক পেতে দাঁড়িয়েছি কিন্তু ভয় পাইনি। জনগণের বিজয় হয়েছে, জুলুম ও অত্যাচারের অবসান হয়েছে। আমাদের বিশ্বাস ছিলো, অত্যাচারী শাসকরা একদিন না একদিন আমাদের প্রতিরোধের মুখে বিদায় নেবে। আল্লাহর সহায়তায় এই জুলুম সহ্য করা সম্ভব হয়নি এবং একদিন এ দল আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কর্তৃক ঘোষিত ৩১ দফার প্রচারণা ও উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসিক ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবুল প্রধানের সভাপতিত্বে ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সদস্য মাসুুদুর রহমান মাসুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য অকিল উদ্দিন ভূঁইয়া, রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, সাবেক দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবুল, সাবেক সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো: কবির হোসেন।
মামুন মাহমুদ আরও বলেন, এই দেশ আমাদের পূর্বপুরুষরা রক্ত দিয়ে স্বাধীন করেছে। তাই দেশের ভালো রাখার দায়িত্ব আমাদের। যদি আমরা এই দেশকে ভালো রাখি না, পরবর্তী প্রজন্ম কষ্ট ও দুর্ভোগের শিকার হবে। বাসা থেকে বের হয়ে ছিনতাই, আইন শৃঙ্খলাহীন পরিস্থিতি হবে। এজন্য আমাদের নেতা তারেক রহমান ৩১ দফা ঘোষণা করেছেন। এই ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগের শাসনামলে দলীয়করণ ও দূর্নীতিকরণ বন্ধ করা, বিচার ব্যবস্থার যথাযথ সংস্কার, সংবিধান ও শাসন ব্যবস্থার রক্ষা। বিএনপি যদি নির্বাচনে দায়িত্ব পায়, দেশ পরিচালিত হবে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে, আইনের শাসনের মাধ্যমে এবং ৩১ দফার ভিত্তিতে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সদস্য দেলোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা হারুন মাস্টার, নাসিক ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরাফিল প্রধান, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গাজী মনির হোসেন, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আফজাল হোসেন, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন, ৫নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, ৬নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, ৭নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, ৮নং ওয়ার্ড সভাপতি সামছুদ্দিন শেখ, ৯নং ওয়ার্ড যুগ্ম-সম্পাদক নুর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মিন্না, সাবেক সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দেওয়ান, ৭নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দুলাল মিয়া, রাকিব প্রধান, আফজাল হোসেন, মহারাজ, তনু পাগলা, আলী আজম, মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।