প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:০৭ পিএম

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চন্দনপুর বাজার থেকে মানিকারচর বাজার পর্যন্ত প্রায় সোয়া ৫ কিলোমিটার সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল পড়ে আছে। এক সময়ের ব্যস্ত এই সড়ক এখন পরিণত হয়েছে জলাবদ্ধ ও খানাখন্দে ভরা কাদামাটির পথে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় মানুষ, স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও পথচারীরা।
বিশেষ করে চন্দনপুর এম এ উচ্চ বিদ্যালয় এবং জয়পুর-চন্দনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ। খানাখন্দে ভরা রাস্তা সামান্য বৃষ্টি হলেই বড় গর্তে পানি জমে ছোট পুকুরের মতো হয়ে যায়। ফলে সকাল-বিকেল বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করা শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন কাদা-পানি মাড়িয়ে যেতে হয়। অনেকে জুতা হাতে নিয়ে, কেউ বা প্যান্ট গুটিয়ে কষ্ট করে স্কুলে পৌঁছায়। এতে শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, অভিভাবক ও পথচারীরাও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বারবার সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার না হলে রাস্তার অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়বে, ফলে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হবে। তাই প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মোস্তফা বলেন, “এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু এখন গাড়ি তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে চলাও দুঃসাধ্য হয়ে গেছে। বর্ষার সময় কাদা-পানিতে রাস্তা একেবারে অচল হয়ে যায়। চন্দনপুর আশপাশের গ্রামের কলেজ শিক্ষার্থীরা মানিকারচর সরকারি কলেজে যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়ছে। অনেকে একদিন গেলে পরের দিন আর নিয়মিত যেতে চায় না। এভাবে চলতে থাকলে রাস্তাটির দুরবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেঘনা উপজেলা প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, “চন্দনপুর-মানিকারচর সড়কটি মেরামতের জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।”
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে