প্রকাশ: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:১৭ পিএম

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় চাঁদাবাজির মামলার জেরে শাহিনুর ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যবসায়ীকে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহতের স্ত্রী লিপি আক্তার জানান, এ ঘটনায় গত ৩ অক্টোবর শিবালয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে নাম উল্লেখ করা হয়েছে ১০ জনের এবং অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন দক্ষিণ আড়া গ্রামের একাব্বর শেখের ছেলে আব্দুল মালেক (৩৫), রাণীনগরের আফছার উদ্দিনের ছেলে মতিন শেখ (৩০), ব্রাহ্মণকুলের একলাছ উদ্দিনের ছেলে সামেজ (৩২), দক্ষিণ আড়ার আব্দুর রহিম শেখের ছেলে মিঠু শেখ (২০), নদীমুখ এলাকার মিজান (২৫), ধুসর এলাকার নাছির (২২), কোলা এলাকার শওকত (২৪), এছাড়া দক্ষিণ আড়ার একলাছ উদ্দিন, রহিম শেখ এবং রহিম শেখের ছেলে টুটুল শেখসহ আরও কয়েকজন।
লিপি আক্তার অভিযোগ করেন, “দীর্ঘদিন ধরে কিছু লোকের সঙ্গে আমার স্বামীর বিরোধ চলছিল। এই নিয়ে একটি চাঁদাবাজির মামলা আদালতে বিচারাধীন। ৩ অক্টোবর সকালে নয়াবাড়ী বাজারে নাস্তা করার সময় আব্দুল মালেক মামলার প্রসঙ্গ তুলে তাকে লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করে। পরে অন্যরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এ সময় শাহিনুর ইসলামের কাছে থাকা নগদ দুই লাখ টাকা ও স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় তারা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।”
তিনি আরও বলেন, “চাঁদা না দেওয়ায় এবং মামলা করায় মালেকের নেতৃত্বে আমার স্বামীর ওপর হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছে। এখনো আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”
তবে অভিযুক্ত আব্দুল মালেক এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি চাঁদাবাজি ও মারধরের ঘটনায় জড়িত নই। বরং আমি সবাইকে শান্ত থাকার জন্য ধমক দিয়েছি।”
শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে