বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু      পরিকল্পিতভাবে কাজ করলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান সম্ভব      যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব: সাচিং প্রু      সনদের পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন জরুরি: শ্রমমন্ত্রী      ৮ মাসে পেরিয়ে গেলেও ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়া জায় নেই      বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ       একাদশের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন      ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৮ জনের      শরণখোলায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ      রৌমারীতে উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর উদ্বোধন      কপোতাক্ষে মিলল ভ্যানচালক ইখলাসের মরদেহ      টাঙ্গাইল সেতুর প্রকৌশলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ      
প্রশান্ত মহাসাগরের দুটি দ্বীপ ফিরলো ইঁদুরমুক্ত হয়ে
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:২৪ AM আপডেট: ০৪.১০.২০২৫ ১০:২৯ এএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের জেমো আইলেট ও বিকার এটল দীর্ঘদিন ধরে ইঁদুরের আক্রমণে ভুগছিল। শত শত বছর আগে জাহাজের মাধ্যমে আনা এই ইঁদুরগুলো দ্বীপের বাস্তুসংস্থান ও জীববৈচিত্র্যকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। তারা কচ্ছপের ডিম, ছোট কাঁকড়া, পাখির ছানা এবং গাছের চারা খেয়ে দ্বীপগুলোকে প্রায় প্রাণহীন করে তুলেছিল।

২০২৪ সালে মার্কিনভিত্তিক পরিবেশ সংস্থা আইল্যান্ড কনজারভেশন স্থানীয় দ্বীপপুঞ্জের দপ্তরের সঙ্গে মিলিত হয়ে ইঁদুর নির্মূলের প্রকল্প শুরু করে। ড্রোনের মাধ্যমে দ্বীপ জুড়ে বিশেষ খাবার ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা শুধুমাত্র ইঁদুরকে লক্ষ্য করে। প্রায় এক বছরের নজরদারির পর নিশ্চিত করা গেছে, এখন এই দ্বীপ দুটি সম্পূর্ণ ইঁদুরমুক্ত।

ফলাফলে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। বিকার দ্বীপে যেখানে আগে কোনো পাখির অস্তিত্ব ছিল না, এখন প্রায় দুই হাজার ‘সুটি টার্ন’ পাখি কলোনি গড়ে তুলেছে। নতুন প্রজাতির পাখি যেমন ক্রিসমাস শিয়ারওয়াটার, বাদামী নডি ও গ্রেটার ক্রেস্টেড টার্নও দ্বীপে ফিরে এসেছে। হাজার হাজার ‘পিসোনিয়া গ্র্যান্ডিস’ গাছের চারা বেড়েছে, যা আগে দেখা যেত না। এছাড়া কাঁকড়া ও টিকটিকি প্রজাতিও পুনরায় স্থিতি ফিরে পেয়েছে। সামুদ্রিক পাখিদের বিষ্ঠা মাটিকে উর্বর করছে এবং কাঁকড়া সমুদ্রে লার্ভা ছড়িয়ে পুরো বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য পুনঃস্থাপন করছে।

জেমো দ্বীপ সবুজ কচ্ছপের প্রধান প্রজননক্ষেত্র। ইঁদুর নির্মূলের পর স্থানীয়রা আশা করছেন, কচ্ছপের সংখ্যা পুনরায় বৃদ্ধি পাবে। দ্বীপের কাছাকাছি বসবাসকারী লিকিয়েপ ও উত্রিক এলাকার মানুষ মাছ ধরা, নারকেল ও পাতা সংগ্রহের জন্য আবার দ্বীপগুলো ব্যবহার করতে পারবে।

বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করছেন, জেমো ও বিকারের প্রকল্পের সফলতা ভবিষ্যতে অন্যান্য দ্বীপে একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার পথ খুলে দিয়েছে। ইতোমধ্যেই বিকারের মতোই ইঁদুর আক্রান্ত বোকার এটলে এমন প্রকল্প চালানোর সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে।



স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো 


আরও সংবাদ   বিষয়:  প্রশান্ত মহাসাগর   দ্বীপ   ইঁদুরমুক্ত  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close