প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:০৫ AM আপডেট: ০৩.১০.২০২৫ ১০:১০ এএম

ফাইল ছবি
ইসরায়েল জানিয়েছে, গাজার অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করা ৪২টি নৌযানের মধ্যে ৪১টি আটক করেছে তাদের নৌবাহিনী। শুধু ‘মেরিনেট’ নামে একটি জাহাজ এখনও চলাচল করছে বলে অনলাইনে ট্র্যাক করা গেছে।
ফ্লোটিলার আয়োজক সংস্থা গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা এক লাইভস্ট্রিমে জানায়, মেরিনেট এখনও শক্তভাবে অগ্রসর হচ্ছে, তবে এটি বর্তমানে মিশরের উপকূলের সমান্তরাল দূরে অবস্থান করছে।
এর আগে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযানকে ‘উসকানি’ বলে আখ্যা দিয়ে জানায়, আটক যাত্রীদের সবাই নিরাপদে আছে। তাদের ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখান থেকে ইউরোপে ফেরত পাঠানো হবে।
প্রায় ৫০০ জন সংসদ সদস্য, আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী (যাদের মধ্যে সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থানবার্গও ছিলেন) বুধবার রাতে গাজার উপকূল থেকে প্রায় ৭৫ মাইল দূরে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হন। আটক হওয়ার আগে থানবার্গ এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “আমার নাম গ্রেটা থানবার্গ। আমি আলমা জাহাজে আছি। আমরা এখন ইসরায়েলের বাধার মুখে পড়তে যাচ্ছি।”
আটক হওয়ার পর থানবার্গসহ অন্যদের আশদোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানানো হয়, এ সময় আকাশ থেকে স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করে জাহাজগুলো থামানো হয়।
ফ্লোটিলার লক্ষ্য ছিল প্রতীকী মানবিক সহায়তা নিয়ে গাজায় পৌঁছানো এবং একটি সমুদ্রপথ করিডর প্রতিষ্ঠা করা।
উল্লেখ্য, এটি ছিল ২০০৯ সালে গাজার নৌ অবরোধ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো কোনো অনুমোদনহীন মানবিক মিশন গাজার এতটা কাছাকাছি পৌঁছানো।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো