প্রকাশ: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:৪৪ পিএম

বিকালে তারা খাদ্যগুদামে তদন্ত শুরু করেন
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে চালকল মালিকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুন্সী মোহাম্মদ শহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে কোর্টে করা মামলার তদন্তকারী ৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন। কমিটির মধ্যে রয়েছেন জেলা সদর খাদ্যগুদাম টিসিএফ হালিমুর রহমান পলাশ, টিআই জবেদ আলী, চিলমারী টিসিএফ এনামূল হক, নাগেশ্বরী উপজেলা টিসিএফ কায়সার আহমেদ।
গতকাল রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে তারা খাদ্যগুদামে তদন্ত শুরু করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, চালকল মালিকদের খাদ্যগুদামে বরাদ্দের চাল সংগ্রহের নাসির উদ্দিন লাল মিয়ার ১০.০২০ মেট্রিক টন চালের সরকারি মূল্য ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা নাসির উদ্দিন লালের ব্যাংক একাউন্টে না দিয়ে, বিলটি প্রতারণা করে শামিম এন্টারপ্রাইজ নামের একটি মিল মালিকের নামে ব্যাংক একাউন্টে জমা দিয়ে চেকের মাধ্যমে সম্পূর্ণ টাকা উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করে খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, ১২শ’ ২৯ টি নতুন খালি বস্তা গুদামে না এনে পরিবহন ঠিকাদারের নিকট প্রায় ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে নিম্ন মানের বস্তা ক্রয় করে মিলারদের নিকট বিতরণ করেন।
অন্যদিকে আমন মৌসুমে চাল সংগ্রহের নাসির উদ্দিন লাল মিয়ার নামে বরাদ্দকৃত ২ মে. টন ৭ শত কেজি চাল ও প্রায় ৩ হাজার খালি নতুন বস্তা বরাদ্দ ছিল। বরাদ্দের চাল ও বস্তার আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ১১ হাজার ৩শ’ টাকা। মোট ৮ লাখ টাকা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা শহীদুল্লাহ ইসলাম রহস্যজনকভাবে আত্মসাৎ করেন। খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার দুর্নীতি ও তার বরাদ্দের আত্মসাৎকৃত অর্থ উত্তোলনে ব্যর্থ হলে কুড়িগ্রাম জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তাগণ বলেন, “খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে খাদ্যগুদামের বরাদ্দের মিলার মালিক নাসির উদ্দিন লাল মিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করা হবে।”
এছাড়া জনগণের হাতে দেয়া পচা দুর্গন্ধযুক্ত লাল চালের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, “আমরা চালের সেম্পল নিয়েছি। কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হবে।”