প্রকাশ: রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:১৫ পিএম আপডেট: ২১.০৯.২০২৫ ৫:২৩ PM

সংগৃহীত ছবি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটা পুনর্বহাল এবং শিক্ষক লাঞ্ছনার বিচার দাবিতে আজ রোববার (২১ আগস্ট) শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন। তবে এই কর্মবিরতির মাঝেই আইন বিভাগের অধ্যাপক মোশের্দুল ইসলাম পিটার শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেন।
দুপুর সাড়ে ১২টায় শ্রেণীকক্ষ বন্ধ থাকায় অধ্যাপক পিটার বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র ভবনের পাশে একটি চায়ের দোকানে বসে ক্লাস পরিচালনা করেন। উপস্থিত একদল শিক্ষার্থী তার চারপাশে বসে ক্লাস নেন। এই ক্লাসে অংশ নেন আইন বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের (২০২০-২১) শিক্ষার্থীরা। ক্লাস শেষে অধ্যাপক পিটার শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও নেন।
কর্মবিরতির মাঝেই ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে অধ্যাপক পিটার কোনও মন্তব্য করতে চাইলেন না। তবে গতকাল শনিবার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ধস্তাধস্তি প্রসঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি যতদূর জানি, আমার ছাত্ররা শিক্ষককে কখনো মারবে না। অভিযোগকারীদের প্রথমে প্রমাণ দিতে হবে।”
পোষ্য কোটা ইস্যুতে অধ্যাপক পিটার বলেন, “ওনারা চাচ্ছেন ৭০ জনকে ভর্তি করাতে, ভিসি চাচ্ছেন তার গদি বাঁচাতে। প্রশাসনও সমান চেষ্টা করতে হবে। এর আগেও দুইবার পোষ্যকোটা বাতিল করা হয়েছে। এখন যেটা হচ্ছে, কারা বৈষম্য করছে, সেটা স্পষ্ট হওয়া উচিত।”
ক্লাসে উপস্থিত ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, “শ্রেণীকক্ষ তালাবদ্ধ থাকায় আমরা পিটার স্যারের নেতৃত্বে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করেছি। আমাদের ডিনও এসেছেন এবং ঘুরে দেখে গেছেন। আমরা মনে করি, এটি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অযৌক্তিক কোটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী অবস্থান।”
উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে উপ-উপাচার্যসহ অন্যান্য শিক্ষকদের ‘লাঞ্ছিত’ করার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে রোববার কর্মবিরতির ডাক দেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি আবদুল আলিম। তিনি সিনেট ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীও আজ কর্মবিরতিতে থাকবেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো