ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ও তাঁর স্ত্রী ব্রিজিত মাখোঁ যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রমাণ করতে যাচ্ছেন যে ব্রিজিত একজন নারী। এ জন্য তাঁরা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ, বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য এবং ব্যক্তিগত নথি উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিয়েছেন।
ডানপন্থি মার্কিন ইনফ্লুয়েন্সার ক্যান্ডেস ওয়েন্স দাবি করেছিলেন, ব্রিজিত আসলে পুরুষ হিসেবে জন্মেছিলেন। এই অভিযোগের বিরুদ্ধে মাখোঁ দম্পতি মানহানির মামলা করেছেন। তাঁদের আইনজীবী টম ক্লেয়ার জানান, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং সেগুলো ব্রিজিতকে ‘অত্যন্ত মর্মাহত’ করেছে।
মাখোঁ দম্পতির পক্ষ থেকে আদালতে ‘বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণ’ হাজির করা হবে। এর মধ্যে থাকতে পারে ব্রিজিতের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থা ও সন্তানদের লালন-পালনের ছবি, তবে সেগুলো আদালতের নিয়ম অনুযায়ী উপস্থাপন করা হবে।
ক্যান্ডেস ওয়েন্সের আইনজীবীরা মামলা খারিজের আবেদন করেছেন। তাদের যুক্তি, এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আওতায় পড়ে। তবে মাখোঁ দম্পতির দাবি—ওয়েন্স জেনেশুনেই মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছেন, যা তাঁদের সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে।
এর আগে ২০২৪ সালে ফ্রান্সে একই ধরনের অভিযোগে মাখোঁ দম্পতি একটি মানহানির মামলায় জয়ী হলেও, পরে আপিলে সেই রায় বাতিল হয়। এবার তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে লড়ছেন ওয়েন্সের বিরুদ্ধে, যেখানে মানহানির মামলায় বাদীকে ‘প্রকৃত বিদ্বেষ’ (actual malice) প্রমাণ করতে হয়।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ