প্রকাশ: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১:০৮ পিএম

প্রথমে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। শেষ দিকে ম্যাচের প্রায় ২০ মিনিট বাকি থাকতে পরিণত হয় ১০ জনের দলে। এতকিছুর পরও তবে কিলিয়ান এমবাপের জোড়া পেনাল্টি গোলে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফরাসি ক্লাব মার্সেইকে ২-১ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
এই জয়ের মাধ্যমে ইউরোপ সেরার মঞ্চে ২০০তম জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। চ্যাম্পিয়নস লিগ (পুরনো ইউরোপিয়ান কাপসহ) নাম ধারণ করার পর থেকে প্রথম ক্লাব হিসেবে এই মাইলফলকে পৌঁছাল ‘লস ব্লাঙ্কোসরা’।
এছাড়াও, নতুন কোচ ও সাবেক রিয়াল মিডফিল্ডার জাবি আলোনসোর অধীনে চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি রিয়ালের প্রথম জয়।
খেলার ২২ মিনিটেই এগিয়ে যায় মার্সেই। টিমোথি উইয়াহ দুর্দান্ত শটে গোল করে রিয়ালের জালে বল জড়ান। তবে ৭ মিনিট পরই পাল্টা আঘাত হানে রিয়াল। রদ্রিগোকে ফাউল করেন মার্সেইর জিওফ্রে কনডগবিয়া। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান, আর স্পট কিক থেকে কিলিয়ান এমবাপে ম্যাচে সমতা ফেরান (১-১)।
৭২ মিনিটে রিয়াল পড়ে চাপে, যখন দানি কারভাহাল মার্সেইর গোলরক্ষক জেরোনিমো রুলিকে মাথায় আঘাত করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। ১০ জনের দলে পরিণত হয় রিয়াল।
কিন্তু তাতেও থামেনি স্প্যানিশ ক্লাবটি। ৮১ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট আটকাতে গিয়ে বল হাতে লাগান ফাকুন্দো মেডিনা। ভিএআর দেখে রেফারি আবারও পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। আবারও বলের পেছনে দাঁড়ান এমবাপে এবং গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে দেন ২-১ ব্যবধানে।
শেষ মুহূর্তে মার্সেইর মেসন গ্রিনউড সমতায় ফেরানোর চেষ্টা চালালেও রিয়াল গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া অসাধারণ সেভ করে দলকে রক্ষা করেন এবং জয় নিশ্চিত করেন।
রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৫০তম গোল পূর্ণ করলেন কিলিয়ান এমবাপে। ম্যাচ শেষে মিডফিল্ডার ফেদে ভালভের্দে বলেন, “আমরা খুশি যে সে (এমবাপে) গোল করে চলেছে এবং ক্রমশ আরও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। আমাদের কাজ হলো বল তার কাছে পৌঁছে দেওয়া, যাতে সে আরও সুযোগ পায় এবং গোল করতে পারে।”
ম্যাচ শুরুর আগে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর বাইরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। মার্সেই সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। দ্রুতই দাঙ্গা পুলিশ ও ঘোড়সওয়ার ইউনিট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম