বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটি      ফেনীতে দাঈ সম্মেলন অনুষ্ঠিত      জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গাজী নজরুলের আরও ৪ দিনের রিমান্ড      সৌদিতে ড্রোন-মিসাইল হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি      সহকারী সার্জন ও ডেন্টাল সার্জন পদে ৫ হাজার নিয়োগ      বিকাশসহ পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংকের এলওআই      ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু      পরিকল্পিতভাবে কাজ করলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান সম্ভব      যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব: সাচিং প্রু      সনদের পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন জরুরি: শ্রমমন্ত্রী      
সুনামগঞ্জে ১০ হাজার নলকূপ অকেজো
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৪:৫৪ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

সুনামগঞ্জে বেশিরভাগ অগভীর নলকূপে পানি না ওঠায় সুপেয় পানির সংকটে ভোগছেন সাধারণ মানুষ। তাপপ্রবাহ, অনাবৃষ্টি, নদীনালা ও খালবিল ভরাট হয়ে যাওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের এই নেতিবাচক প্রভাবের ফলে একে একে অকেজো হয়ে যাচ্ছে হস্তচালিত নলকূপগুলো। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দারা।

সুনামগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলার ১২ উপজেলায় সরকারি পর্যায়ে হস্তচালিত নলকূপ সচল রয়েছে ২৩ হাজার ৫৬৫টি। এছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে জেলায় লক্ষাধিক নলকূপ রয়েছে। তবে শুষ্ক মৌসুমে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় প্রায় ১০ হাজার নলকূপ অকেজো হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শান্তিগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর, সুনামগঞ্জ সদর ও জগন্নাথপুর উপজেলায় লক্ষাধিক মানুষ বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভোগেন।

২০১৯-২০ অর্থবছরে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের উদ্যোগে নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সাড়ে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ৩০০ হ্যান্ড টিউবওয়েল এবং জগন্নাথপুরে সাড়ে ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৫০০ হ্যান্ড টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়। তবে প্রকল্প শেষ হওয়ার দুই বছরের মাথায় বেশিরভাগ টিউবওয়েল অকেজো হয়ে গেছে। সচল থাকা টিউবওয়েলগুলোতেও পানি ঝিরিঝিরিয়ে ওঠছে।

শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক গ্রামের বাসিন্দা ঝর্ণা বেগম প্রতিদিন কয়েক কিলোমিটার হেঁটে গিয়ে বিশুদ্ধ পানি আনেন। তিনি বলেন, অনেক দূর থেকে পানি আনতে হয়। এতে অনেক সময় চলে যায়। নদীর পানি ছেলেমেয়েদের খাওয়ালে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই প্রতিদিন কষ্ট করে দূর থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করি।

শুধু এই দুই উপজেলা নয়, জেলার সদর, বিশ্বম্ভরপুর, দোয়ারাবাজার ও ছাতকসহ মোট ১২ উপজেলায় সরকারি-বেসরকারি হস্তচালিত নলকূপগুলোর একই দশা। ফলে বিশুদ্ধ পানির জন্য এই অঞ্চলের মানুষদের ভরসা করতে হয় গভীর নলকূপের ওপর। তবে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য গভীর নলকূপ বসানো সম্ভব নয়। তারা চান সরকারি সহায়তা।

এদিকে, বিশুদ্ধ পানি সংকট নিরসনে সরকারিভাবে সাবমার্সেবল গভীর নলকূপ বসানো হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্র জানায়, পানির সংকট দূর করতে ইতিমধ্যে ১২ উপজেলায় ৫ হাজার সাবমার্সেবল গভীর নলকূপ বসানোর কাজ চলমান রয়েছে। এগুলো আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। তখন বিশুদ্ধ পানির সংকট অনেকটা কমবে।

সুনামগঞ্জে সুপেয় পানির সংকট দূর করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানিয়েছেন সচেতন সুনামগঞ্জবাসী।

স্বদেশ প্রতিদিন/এমএএম



আরও সংবাদ   বিষয়:  সুনামগঞ্জ  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close