প্রকাশ: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:২৩ পিএম

সংগঠনটির নেতা আবদুলওয়াহিদ আল-নূরের অংশ থেকে জানানো হয়, টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেবেল মাররা পাহাড়ি এলাকার তারাসিন গ্রাম প্রায় পুরোপুরি ধসে গেছে। সীমিত সরঞ্জাম নিয়েও উদ্ধারকর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এসএলএম মুখপাত্র মোহাম্মদ আবদেলরহমান আল-নাইর বলেন, “মঙ্গলবার পর্যন্ত অন্তত ১০০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।”
এসএলএম প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবীরা খালি হাতে কাদামাটি ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত মাত্র একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক জানিয়েছেন, দুর্গম এলাকায় ভূমিধস হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনো পরিষ্কার নয়। এ কারণে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহায়তা পৌঁছাতেও দেরি হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের এপ্রিলে সেনাবাহিনী ও আধা সামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। যদিও জেবেল মাররার কিছু অংশ এসএলএম নিয়ন্ত্রণ করে, তারা সরাসরি সংঘাতে জড়ায়নি।
সহিংসতা থেকে বাঁচতে বহু মানুষ এই বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। এলাকা বিশেষ করে সাইট্রাস ফল উৎপাদনের জন্য পরিচিত হলেও বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ