বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
মেঘনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার নামে টাকা আদায়
কুমিল্লা (মেঘনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৩৫ পিএম
৪০ নং শিবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

৪০ নং শিবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নে অবস্থিত ৪০ নং শিবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি আদায়ের কোনো বিধান না থাকলেও এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৬০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, চলতি শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় প্রান্তিক পরীক্ষায় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৬০ টাকা, তৃতীয় শ্রেণির কাছ থেকে ১০০ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির কাছ থেকে ১১০ টাকা এবং পঞ্চম শ্রেণির কাছ থেকে ১২০ টাকা নেওয়া হয়েছে।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইয়াসিন বলেন, পরীক্ষার ফি-এর কথা বলে আমার কাছ থেকে ১২০ টাকা নেওয়া হয়েছে। একই অভিযোগ করেন চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফুয়াদ।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে মোট ৮ জন শিক্ষক পদায়িত আছেন। তবে চার মাস ধরে একজন শিক্ষক দীর্ঘ ছুটিতে থাকায় কার্যত ৭ জন শিক্ষক দিয়ে পুরো বিদ্যালয়ের পাঠদান চালানো হচ্ছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫৪ জন। শিক্ষকের তুলনায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় পাঠদানে চাপ তৈরি হচ্ছে। সীমিত জনবল দিয়ে পাঠদান চালাতে গিয়ে প্রতিদিন নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা পাচ্ছে না, শিক্ষকরাও অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক হারুন মিয়া টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আগে নানা খাতে বরাদ্দ আসত, এখন আসে না। আমি অতিরিক্ত একজন শিক্ষক রেখেছি, তার বেতন এখান থেকে দিতে হয়। এছাড়াও স্কুলের একটি দরজা মেরামত করেছি। তাই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে আমি রেজুলেশনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে পারি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গাজী মো. আনোয়ার হোসেন এ ধরনের অর্থ আদায়কে সরাসরি অনিয়ম বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি বাবদ কোনো টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।

স্বদেশ প্রতিদিন/এমএএম



আরও সংবাদ   বিষয়:  মেঘনা  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close