প্রকাশ: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৩৮ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রস্তাবিত আসন বিন্যাসকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে বিজয়নগরের চান্দুরা ডাকবাংলো মোড়ে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। এতে প্রায় আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে এবং উভয়পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের শুনানিকালে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সমর্থকরা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিবাদে তারা রুমিন ফারহানার অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) মো. আতাউল্লাহ, উপজেলা প্রধান সমন্বয়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আমিনুল হক চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য রাষ্টু সরকার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান ও এনসিপি নেত্রী জয়ন্তী বিশ্বাস।
বক্তব্যে আতাউল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, “রুমিন ফারহানা গণতন্ত্রের নামে সন্ত্রাসী কায়দায় মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করেছেন। বিজয়নগরের তিনটি ইউনিয়ন রাতের আঁধারে সরিয়ে নিজের আসনে যুক্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি থাকার সময় রুমিন ফারহানা সরকারের সুবিধাও ভোগ করেছেন, আর এখন বিজয়নগরের মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন।
বিক্ষোভকারীরা তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে ঘোষণা দেন, এ সময়ের মধ্যে রুমিন ফারহানাকে গ্রেফতার করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত আসন বিন্যাসে বিজয়নগরের তিনটি ইউনিয়ন—বুধন্তী, চান্দুরা ও হরষপুর—ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) থেকে কেটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে যুক্ত করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ