প্রকাশ: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫, ৪:২০ পিএম

সংগৃহীত ছবি
খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, সরকার প্রতি কেজি চাল উৎপাদনে ২০ থেকে ২৫ টাকা ভূতুর্কি দিয়ে থাকে। তিনি বলেন, “চাহিদার চেয়ে ১ কোটি মেট্রিক টন খাদ্য বেশি উৎপাদন হওয়ার পরও চাল আমদানি করা হচ্ছে। সরকারের একাধিক ধাপে পদক্ষেপের কারণে চালের দাম বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।”
আজ বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুর সার্কিট হাউজে চলমান খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসন ও জেলা খাদ্য বিভাগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আলী ইমাম মজুমদার বলেন, “লাইসেন্সে উল্লেখিত শর্ত ছাড়া এবং লাইসেন্স ছাড়া যারা খাদ্য মজুত করবেন তাদের বিরুদ্ধে এবং সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। যাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে খাদ্য বিভাগের অনেক ডিসিফুড ও আরসিফুডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
উপদেষ্টা বলেন, “খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশে ৫৫ লাখ মানুষ ৬ মাস ৩০ কেজি করে চাল পাবেন। যার মধ্যে সাড়ে ৯ লাখ মানুষ রংপুর বিভাগের। এটা বিতরণে বড় ধরনের কোন সমস্যা নেই। আমরা এবার স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি ধান চাল সংগ্রহ করেছি। দিনাজপুরেও সংগ্রহ শতভাগ হয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমরা যখন ধান চাল সংগ্রহ করছিলাম তখন বাজারে দাম বেড়েছিল। বর্তমানে আমরা সংগ্রহ শেষ করেছি। বাজারে চাল ছাড়ছি এবং আমদানির অনুমোদন দিয়েছি। ইতমধ্যে চাল আসতে শুরু করেছে। বাজার সহনশীল থাকবে।”