প্রকাশ: শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫, ৫:১১ পিএম আপডেট: ০৯.০৮.২০২৫ ৫:২২ PM

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করার পর মিঠাপুকুরে এক অধ্যক্ষকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল শুক্রবার (৮ আগস্ট) বিকালে মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ ইউনিয়নের সদরপুরে এই ঘটনা ঘটে। অধ্যক্ষ মাহেদুল আলমকে মারধরের পর তার কাছ থেকে ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর করে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
তিনি পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া
স্মৃতি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে কর্মরত। এ ঘটনায় মিঠাপুকুর থানায় একটি
অভিযোগ দায়ের করেছেন মাহেদুল আলম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার মাহেদুল আলমের বিরুদ্ধে আনীত একটি অভিযোগের বিষয়ে রংপুর জেলা শিক্ষা অফিসে তদন্তের শুনানি ছিল। শুনানিকালে বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রাজ্জাকুর রহমানের নেতৃত্বে বহিরাগতরা শিক্ষা অফিস প্রাঙ্গণে অধ্যক্ষ মাহেদুল আলমকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে অধ্যক্ষ মাহেদুল আলম রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানায় গত বৃহস্পতিবার একটি জিডি করেন।
জিডি করার পরদিন শুক্রবার বিকালে মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ ইউনিয়নের সদরপুর নামক স্থানে অধ্যক্ষ মাহেদুল আলমের মোটরসাইকেলের পথরোধ করে বেধড়ক মারপিট করা হয়। পরে অধ্যক্ষ মাহেদুল আলমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ মাহেদুল আলম বলেন, “পটপরিবর্তনের পরে আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে আমাকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে রাজ্জাক গং। তারা আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানে তালাবদ্ধ করে মব সৃষ্টি করে ইউএনওকে চাপ দিয়ে ইতোমধ্যেই আমাকে সাময়িক সাসপেন্ড করে রেখেছে। আমি আওয়ামীলীগের কোন কমিটিতে ছিলাম না।প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রক্ষা করে চলেছি। জীবননাশের হুমকির পরে থানায় অভিযোগ দেয়ার পরেই হামলার শিকার হলাম। আমি ন্যায়বিচার চাই।”
অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রাজ্জাকুর রহমান বলেন, “এই অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমরা কোন হামলা করিনি।”
মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।