প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫, ৬:১৫ পিএম

পাবনার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ও মথুরাপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ ‘লাউতিয়া- কাতুলি’ কাঁচা রাস্তাটি বছরের পর বছর অবহেলিত পড়ে আছে।
দুই ইউনিয়নের অন্তত ১০ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষের চলাচলের প্রধান মাধ্যম এই রাস্তাটি।
সারাদেশে গ্রামীণ সড়ক পাকাকরণের জোয়ার বইলেও এ সড়কটির ভাগ্যে জোটেনি উন্নয়নের ছোঁয়া। বর্ষা মৌসুমে কাদা জমে চলাচল একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়ে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদায় পরিণত হয়ে পড়ে, যেন হাল চাষের জমি। যানবাহন তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে চলাও হয়ে পড়ে দুঃসাধ্য।
হরিপুর ইউনিয়নের কাতুলী, মুশাগাড়ী, লাউতিয়া এবং মথুরাপুর ইউনিয়নের আনকুটিয়া উত্তরপাড়াসহ আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারা প্রতিদিন এ সড়ক ব্যবহার করেন। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী নারী ও বৃদ্ধদের জন্য এই রাস্তা যেন দুর্ভোগের আরেক নাম।
স্থানীয় বাসিন্দা চাকরিজীবী রাকিব হাসান রোশান বলেন, এলাকায় এলেই হাঁটতে হাঁটতেই হাঁপিয়ে উঠি। পাকা রাস্তা দু’পাশেই আছে, অথচ মাঝের দেড় কিলোমিটার এখনও কাঁচা। এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর।
একই অভিযোগ করেন কৃষক মজিদ মিয়া। তিনি বলেন, বর্ষাকালে ফসল মাঠ থেকে ঘরে আনতে ভীষণ কষ্ট হয়। এই রাস্তাটুকুর জন্যই আমরা বছরের পর বছর কষ্টে আছি।
এ সড়কটি স্থানীয় বাজার, জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মসজিদে যাতায়াতের একমাত্র উপায়। দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসী সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়ে আসছেন, তবে এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাটমোহর উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন বলেন, চাটমোহরে মোট ৬৯৭ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ৩০০ কিলোমিটার পাকা। বাকি ৩৯৭ কিলোমিটার এখনও কাঁচা। ৫ আগস্টের পর থেকে নতুন কোনো প্রকল্প অনুমোদিত হয়নি। তবে নতুন প্রকল্প পেলে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন করা হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ