প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫, ৫:৩৬ পিএম আপডেট: ১৫.০৭.২০২৫ ৬:০৬ PM

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, “তিস্তা মহাপরিকল্পনা চলতি বছরের শেষ নাগাদ চূড়ান্ত হবে। এ লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে।”
আজ মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়ন পরির্দশনকালে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, “তিস্তার নদীটার গতি প্রকৃতিটা আসলেই আমাদের নির্ভর করে না। এটা নির্ভর করে উজানের দেশের উপর সরকারি পর্যায় থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ব্যাপারে কাজ করা হয়েছিল। আপনারা জানেন যে, ২০১১ সালে একটা চুক্তি করা হয়েছিল তবে সেই চুক্তি এখনো স্বাক্ষর করা হয় নি তবে সেই প্রক্রিয়া সেই কাজও এখনো চলমান রয়েছে।”
তিনি আরো বলেন, “তিস্তা যেহেতু আমাদের দেশের নদী ভাটির দেশের জনগণ হিসেবে এই নদীর উপর তো আমাদের একদম অধিকার আছে। আমাদের জনগোষ্ঠী, জনপদ দেশের একটা অধিকার আছে সেটা আমরা কেমন করে সুরক্ষিত রাখতে পারি। সেজন্য চীন সরকারের সাথে ২০১৬ সালে একটা স্মারক দেয়া হয়েছিল, যার পরে একটা প্ল্যান দেয়া হয়েছিল সেই প্ল্যান আর আগায় নি। আমরা এসে জনগণের দাবি শুনেছিলাম যে তারা তিস্তাকে নিয়ে একটা মহাপরিকল্পনা চায়।”
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “আমরা এসে সেই পরিকল্পনাকে মহাপরিকল্পনায় রূপ দেওয়ার জন্য চীন সরকারের সাথে কথাবার্তা শুরু করেছি। আপনারা জানেন যে এখানে আমরা পাঁচটা গণশুনানি এখানে করেছি। এই পরিকল্পনা শুধু সরকারের পরিকল্পনা না হয়ে জনগণের পরিকল্পনা হয়।”
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এর মহাপরিচালক এনায়েত উল্লাহ, উওরাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মাহবুবর রহমান,কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানা, পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান, ঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আতিক মুজাহিদ প্রমুখ।
কুড়িগ্রামের রাজাহাট ও উলিপুর উপজেলার ২৪ টি পয়েন্টে ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে পূর্ব সতর্কতামূলক তিস্তা নদীর বাম তীর সংরক্ষণের কাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে চলমান কাজের প্রায় শতকরা ৮০ ভাগের উপরে সম্পন্ন হয়েছে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাকি কাজ শেষ হবে বলেও জানান তিনি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএএম