প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ জুন, ২০২৫, ৮:১২ পিএম

প্রতীকী ছবি
পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব। এ দিনটি ইবাদত, কোরবানি এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণে অতীব তাৎপর্যপূর্ণ। ইসলামী শরিয়তে ঈদুল আজহার দিনের কিছু সুন্নত আমল রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পায় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিও অর্জিত হয়।
মুসলিম জীবনে ঈদের দিনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলতে নবী করিম (সা.)-এর সুন্নত অনুসরণ করা একান্ত কর্তব্য। বিভিন্ন হাদিস থেকে জানা যায়, ঈদুল আজহার দিনে অন্তত ১৩টি সুন্নত আমল রয়েছে। এগুলো হলো:
ঈদের দিন খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠা ও ফজরের নামাজ জামায়াতে আদায় করা। এরপর মিসওয়াক করা এবং গোসল করা সুন্নত হিসেবে পরিচিত। শরিয়তসম্মত পরিচ্ছন্ন ও মার্জিত পোশাকে ঈদের সাজসজ্জা করা, সামর্থ্য অনুযায়ী উত্তম পোশাক পরা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করাও এই দিনের অন্যতম সুন্নত।
ঈদুল আজহার একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো, ঈদের নামাজের আগে কিছু না খাওয়া এবং ঈদের নামাজ শেষে নিজের কোরবানির গোশত দিয়ে ঈদের দিনের প্রথম আহার করা। ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য সকালে আগেভাগে ঈদগাহে যাওয়া এবং বিনা ওজরে মসজিদে না পড়ে ঈদগাহেই নামাজ আদায় করাও অন্যতম সুন্নত।
ঈদগাহে যাওয়া ও ফেরার পথে ভিন্ন ভিন্ন রাস্তা ব্যবহার করা এবং হেঁটে যাওয়া নবীজির (সা.) অভ্যাস ছিল। ঈদগাহে যাওয়ার পথে উচ্চ আওয়াজে তাকবির পাঠ করতে করতেও যাওয়া সুন্নত। আর ঈদুল আজহার অন্যতম প্রধান আমল হলো—সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি করা।
এই আমলগুলো পালনের মাধ্যমে একজন মুসলমান শুধু ঈদের আনন্দে শরিকই হন না, বরং তা তাকে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণে আরও একধাপ এগিয়ে দেয়। তাই, ঈদের দিন শুধু আনন্দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে, এই সুন্নতগুলো পালনের মাধ্যমে তা আরও পূর্ণতা দেওয়া প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর