প্রকাশ: শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫, ১২:৪৭ পিএম

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে চাঁদা চাইতে গিয়ে যুবদল ও কৃষক দলের তিন নেতাকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল শুক্রবার (১৬ মে) বিকেলে উপজেলার ধুবিল ইউনিয়নের নৈইপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুকুর খননকারীর কাছে চাঁদা চাইতে গেলে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সলঙ্গা থানার ওসি হুমায়ন কবির।
আহতরা হলেন:- সলঙ্গা থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মোমিন, সদস্য রোকনুজ্জামান ও সলঙ্গা থানা কৃষক দলের সদস্য সচিব সোবহান আলী। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বেশকিছু বিক্ষুব্ধ নারী-পুরুষ ওই তাদের আটকে রেখে মারধর করছেন।
স্থানীয় শহিদুল ইসলাম ও আরব আলী বলেন, ‘বিকেলে তিন-চারটি মোটরসাইকেলে ৮-৯ জন লোক নৈইপাড়ায় এসে গ্রামের পুকুর খননকারী শহিদুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দাবি করায় দুই গ্রুপের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে এলাকার বিক্ষুব্ধ নারী-পুরুষ তাদের ৩ জনকে আটকে রেখে পিটুনি দেন। বাকিরা পালিয়ে যায়।’
সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম সরকার বলেন, ‘পুকুর খনন করা সরকারিভাবে অবৈধ। ওই এলাকায় পুকুর খননের মাটি পরিবহনের কারণে রাস্তাঘাট নষ্ট হচ্ছে। তাই দলের নেতাকর্মীরা খনন কাজ বন্ধ করতে সেখানে গিয়েছিল, চাঁদাবাজি করতে যায়নি।’
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মতিয়ার রহমান সরকার বলেন, ‘আমি সিরাজগঞ্জ জেলা সদরে অবস্থান করছি। চাঁদা দাবি ও মারধরের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা নেই। খবর নিয়ে বলতে পারব।’
সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থালে উপস্থিত হয়ে আটক করা নেতাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, তাদের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া নৈইপাড়া এলাকা থেকে কোনো অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম