প্রকাশ: সোমবার, ১২ মে, ২০২৫, ২:০৭ পিএম আপডেট: ১২.০৫.২০২৫ ২:৪১ PM

বগুড়ার শেরপুরে নাশকতার মামলায় গ্রেফতার আওয়ামী লীগ নেতাকে ছড়িয়ে নিতে তদবিরের অভিযোগ উঠেছে একজন ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে।
রবিবার (১১ মে) দিবাগত রাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যর্থ চেষ্টায় অবশেষে থানা থেকে বেড়িয়ে যান বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযুক্ত মিজানুর রহমান পলাশ ছাত্র অধিকার পরিষদ বগুড়া জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ জানায়, গত ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই বগুড়ার শেরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও সহিংসতার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে রবিবার সন্ধ্যায় সীমাবাড়ী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সদস্য আবু সাদাত মোহাম্মদ ছাইয়ুম (৪৮) ও কুসুম্বি ইউনিয়নের ০৮-নং ওয়ার্ড আ. লীগের সহসভাপতি মো. সাইফুল ইসলামকে (৭৫) গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, ১১ মে রবিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে শেরপুর থানার আসেন ছাত্র অধিকার পরিষদ বগুড়া জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পলাশ। তিনি সাইফুল ইসলামকে নিরপরাধ দাবি করে ছেড়ে দিতে বলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে সাইফুল ইসলামের জড়িত থাকার প্রমাণ দেখানো হয়। এর পরেও তিনি তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের উপর চাপ সৃষ্টি করেন। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে ও থানার ভিতর গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পলাশ রাত ১১ টার দিকে থানা থেকে বেড়িয়ে যান।
তবে আসামিকে ছেড়ে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করার কথা অস্বীকার করে মিজানুর রহমান পলাশ বলেন, ‘সাইফুল ইসলামকে (৭৫) আমাদের এক ছাত্রনেতার আত্মীয়। আমাকে বলা হয়েছে, তিনি অপরাধী নন। কিন্তু পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। বিষয়টি জানার জন্য শেরপুর থানায় এসেছি। পুলিশের সাথে কথা বলে তার অপরাধ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছি। তিনি প্রকৃতপক্ষেই আ. লীগের ফ্যাসিবাদের দোসর।’
এবিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা পলাশ দীর্ঘক্ষণ ধরে আসামিকে ছেড়ে দেওয়া জন্য বলেন। এনিয়ে আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে। সোমবার সকালে আসামিকে আদালতে হাজির করা হবে।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম