প্রকাশ: সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ৫:৪০ পিএম আপডেট: ২১.০৪.২০২৫ ৫:৫২ PM

ভিটামিন সি’র খুব ভালো একটি উৎস হচ্ছে লেবুর খোসা। যা অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। কাজেই রস চেপার পর লেবুর খোসা ফেলে না দিয়ে রুপচর্চায় ব্যবহার করা যায়।
চুল ও ত্বকে খুব সহজেই লেবুর খোসা প্রয়োগ করা যায়। ত্বক এবং চুলের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে কোলাজেন। এই কোলাজেন তৈরির জন্য ভিটামিন সি’র ভূমিকা আবশ্যক। যা আপনি সহজেই পেয়ে যাবেন লেবুর খোসা থেকে। ত্বকের কালো দাগছোপ দূর করতে লেবুর খোসা যেমন কার্যকর, ঠিক তেমনি ত্বকে বয়সের ছাপ কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়াও চুল পড়া রোধে ব্যবহার করতে পারেন লেবুর খোসা।
মুখের দাগছোপ কমাতে:
প্রথমে লেবুর রস চেপে নেয়ার পর খোসাটি ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। ভিতরের সাদা অংশটি ফেলে দিন,এরপর খোসার ভিতরের অংশে সামান্য মধু বা চিনি লাগিয়ে ত্বকে আলগা ভাবে ঘষে নিন। ফলে রোদে পোড়া ত্বক ও কালচে দাগ দূর হয়ে যাবে, ত্বক উজ্জ্বল হবে।
বয়সের ছাপ কমাতে:
শিলপাটা বা ব্লেন্ড করে খোসাটি বেটে নিতে হবে সঙ্গে সমপরিমাণে বেসন ও পরিমাণ মতো মধু যোগ করে বানিয়ে ফেলুন প্যাক। সপ্তাহে দু – তিন দিন এই প্যাক ব্যবহারের ফলে ত্বক মসৃণ ও কমে যাবে বয়সের ছাপ।
চুলের যত্নে:
লেবুর খোসা ব্লেন্ড করে পরিমাণ মতো নারকেল তেল বা জলপাই তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন ভালো ভাবে। মাথার ত্বক ও চুলে ব্লাশ দিয়ে ভালোভাবে লাগিয়ে নিয়ে মিনিট দশেক রেখে দিন। এরপর চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে একদিন প্যাকটি ব্যবহার করলে চুল হবে মজবুত ও মসৃণ। এছাড়াও চুলের আগা ভেঙ্গে যাওয়া,ড্যানড্রফের সমস্যাও দূর হবে। প্রাণবন্ত চুল পেতে যে কোন বয়সের মানুষই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
লেবুর রসের চেয়ে লেবুর খোসার উপকারিতা যে অনেকটাই বেশি তা ইতোমধ্যে বুঝতেই পারছেন। নিতান্তই কম খরচে ঘরোয়া পদ্ধতিতে বহু উপকার মিলবে এই সহজলভ্য উপকরণটি থেকে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএস