
দেশের আট বিভাগে অধস্তন (নিম্ন) আদালতগুলোর কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য গঠিত কমিটিগুলো পুনর্গঠন করেছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে ১০ এপ্রিল জারি করা হয়েছে, যা সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের আটটি বিভাগের জন্য আলাদাভাবে ১৩ টি ‘মনিটরিং কমিটি ফর সাবঅর্ডিনেট কোর্টস’ গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটির নেতৃত্বে আছেন হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি। সেই সঙ্গে সহায়তার জন্য বিচার বিভাগীয় ১৩ কর্মকর্তাকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নতুনভাবে গঠিত এই কমিটিতে বিচারপতিদের দায়িত্ব বণ্টন হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহী-২ বিভাগ (বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ)-বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি। বরিশাল বিভাগ (বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা)-বিচারপতি জে বি এম হাসান। ঢাকা-১ বিভাগ (ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, টাঙ্গাইল)-বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী। খুলনা-১ বিভাগ (খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল)-বিচারপতি মাহমুদুল হক। খুলনা-২ বিভাগ (কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা)-বিচারপতি মো. জাফর আহমেদ। ময়মনসিংহ বিভাগ (ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোণা)-বিচারপতি রাজিক আল জলিল। ঢাকা-২ বিভাগ (কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর)-বিচারপতি ফাতেমা নজীব। চট্টগ্রাম-১ বিভাগ (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি)-বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান। রংপুর-১ বিভাগ (রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট)-বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার। চট্টগ্রাম-২ বিভাগ (নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর)-বিচারপতি আহমেদ সোহেল। রাজশাহী-১ বিভাগ (রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর)-বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর। রংপুর-২ বিভাগ (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী)-বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম। সিলেট বিভাগ (সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ)-বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ
এর আগে, ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো দেশের ৮টি বিভাগের জন্য ৮ জন বিচারপতিকে এই মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। পরবর্তীতে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে বিচারপতির সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয় ১৩ জন। সর্বশেষ, চলতি এপ্রিল মাসে এই কমিটি পুনর্গঠন করা হলো।
এই মনিটরিং কমিটির মূল লক্ষ্য হলো-অধস্তন আদালতগুলোর কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা, বিচারপ্রক্রিয়ার গুণগত মান উন্নয়ন এবং বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও সঠিক বিচার নিশ্চিত করা।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম