প্রকাশ: সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫, ৬:৪৫ পিএম

ইসলামী আন্দালন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই বলেছেন, কোরআন ও সুন্নাহর আইন বাস্তবায়ন ব্যতীত ধর্ষণ বন্ধ করা সম্ভব নয়।
আজ সোমবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে চরমোনাই মাদরাসা ক্যাম্পাসে দেশব্যাপী সব ধর্ষকের বিচার ও সর্বোচ্চে শাস্তির দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শায়খে চরমোনাই বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে চিরতরে ধর্ষণ বন্ধ করতে হলে ইসলামী হুকুমত কায়েম করতে হবে এবং কোরআন-সুন্নাহর আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। কোরআন-সুন্নাহর আইন বাস্তবায়ন ব্যতীত ধর্ষণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। ধর্ষকদের আশ্রয় না দিয়ে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উদ্দেশ করে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘যদি ধর্ষকদের বিচার না করা হয় তাহলে বাংলাদেশের জনগণ এমন আন্দোলন করবে যার মাধ্যমে তারা নিজেরা বিচার হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবে। আমরা চাই না জনগণ নিজেরা বিচার করুক। যদি আপনারা বিচার করতে ব্যর্থ হন তাহলে জনগণ নিজেরা আদালত করে জনমঞ্চে ধর্ষকদের বিচার করবে।’
তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের মূল কারণ হলো নৈতিক শিক্ষার অভাব, আল্লাহর ভয় ও ইসলামী শিক্ষা আমাদের মধ্যে নেই। বর্তমানে বিভিন্নভাবে ধর্ষণের প্রতি উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং যারা ধর্ষক তারা বিচারের আওতায় আসছে না, ধর্ষণ করার পরও নিরাপদে হাঁটছে।’
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটিতে ১০০ ধর্ষণের পর সেঞ্চুরি পালন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সেই ধর্ষণের আজও বিচার করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ধর্ষণ হচ্ছে। অবৈধ গর্ভপাতের মাধ্যমে ছোট ছোট বাচ্চাকে ড্রেনে নিক্ষেপ করা হচ্ছে, বালু চাপা দিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। অথচ আমরা নিজেদের স্বাধীন মনে করি, সচেতন মনে করি ও উদার মনে করি। আমি মনে করি সবাইকে নৈতিক শিক্ষা ও ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে।’
বিক্ষোভ মিছিলে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন চরমোনাই কওমিয়া শাখার সভাপতি মাওলানা ফয়জুল্লাহ বিন সিদ্দিক, সহসভাপতি মো. ইসমাইল, সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহীমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর