প্রকাশ: রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১:০৩ পিএম আপডেট: ০৯.০২.২০২৫ ১:২৩ PM

যারা আইন অমান্য করে তারা দুষ্কৃতকারী ও সন্ত্রাসী এদের নিধোন করতে বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনায় এই অপারেশন ডেভিল হান্ট শুরু করেছে যৌথ বাহিনী বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, সারা দেশে গতকাল শনিবার থেকে শুরু হওয়া যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান শুধুই ‘যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, তাদের গ্রেপ্তারের জন্য।’
আজ রোববার রাজধানীর খামারবাড়িতে মৃত্তিকা ইনস্টিটিউটের একটি নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, এ ক্ষেত্রে যারা আইন অমান্য করে, দুষ্কৃতকারী ও সন্ত্রাসী, তারাই গ্রেপ্তার হবে।’
গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী আক্রমণের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে গতকাল একটি সভা হয়। সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়।
গত শুক্রবার গভীর রাতে গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা আ ক ম মোজাম্মেলের বাড়িতে মারধরের শিকার হন ১৫-১৬ জন। তাঁদের প্রায় সবাই শিক্ষার্থী।
ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলছেন, শিক্ষার্থীরা শুক্রবার রাতে ডাকাতির খবর পেয়ে তা প্রতিহত করতে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁদের মারধর করা হয়।
এ ঘটনার পর গতকাল শনিবার দিনভর গাজীপুরে বিক্ষোভ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। বিক্ষোভের মুখে দায়িত্বে অবহেলার কথা স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন মহানগর পুলিশ কমিশনার। বিক্ষোভ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক শিক্ষার্থী আহত হন। গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গতকাল সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের খোঁজখবর নেওয়ার পর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছিলেন, ছাত্রদের ওপর হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের প্রত্যেককে চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমআর