মঙ্গলবার ● ২৭ অক্টোবর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● স্কুলের নির্মাণসামগ্রী নিয়ম বহির্ভূত ভাবে বিক্রির অভিযোগ       ● ১ দিনে রোপণ হবে ৫ হাজার চারা      ● ডেঙ্গুতে এক দিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৪০০      ● হাম ও উপসর্গে এক দিনে ৭ জনের মৃত্যু      ● বিএনপিকে আন্দোলনের ভয় দেখাবেন না      ● ৩ হাজার গ্রাহকের পানির মিটার চুরি      ● মোলাসেস নিয়ে মোংলা বন্দরে এমভি হাই-হং      ● অভিযুক্ত এসআইয়ের হাতে নগদ পুরস্কার      ● সোনাইমুড়ীতে এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার       ● ডেঙ্গু প্রতিরোধে সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে      ● সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই      ● কালকিনিতে মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সভা      
স্কুলের নির্মাণসামগ্রী নিয়ম বহির্ভূত ভাবে বিক্রির অভিযোগ
প্রতিনিধি, ভালুকা (ময়মনসিংহ)
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম

ময়মনসিংহের ভালুকায় হবিরবাড়ী ইউনিয়নের সোনার বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের লাখ লাখ টাকার নির্মাণসামগ্রী গোপনে নামমাত্র মূল্যে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্কুলশিক্ষকদের বিরুদ্ধে। আবার সেই টাকা দিয়ে শিক্ষকরা আনন্দভ্রমণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্য নিলাম ছাড়াই আনুমানিক ৫-৬ লাখ টাকার ইটের খোয়া ও রড মাত্র ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয় স্কুলেরই আরেক শিক্ষকের কাছে। সেই মালামাল পাঠানো হয় ওই শিক্ষকের শ্বশুরবাড়িতে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিধি মোতাবেক মালামাল বিক্রি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধান শিক্ষক।

স্থানীয় কালাম খান জানান, এখানে প্রায় ৬-৭ লাখ টাকার মালামাল ছিল। স্কুলের শিক্ষকরা কীভাবে সেগুলো বিক্রি করেন? মালামাল বিক্রি করতে কমিটির রেজুলেশন এবং ডাকের মাধ্যমে বিক্রি করতে হয়। আমি এর সঠিক তদন্ত চাই।

মালামাল বহনকারী চালক জানান, আমি সাত গাড়ি খোয়া ও কিছু রড মল্লিক স্যারের বাড়ি মুলাইদ, শ্রীপুরে নিয়ে যাই।

স্কুলের সাবেক শিক্ষক জানান, আমি শুনেছি, স্কুলের মাল চুরি করে বিক্রি করা হয়েছে। পরে প্রধান শিক্ষককে ফোন করি। তিনি বলেন, শর্ট রেজুলেশন করে মাল বিক্রি করা হয়েছে।

স্থানীয় বিএনপি নেতা জানান, আমরা মসজিদের জন্য মাল কিনতে চেয়েছিলাম। পরে আমাদের না জানিয়ে শিক্ষকরা মাল বিক্রি করেছেন। আমরা এর সঠিক তদন্ত চাই।

সহকারী শিক্ষক মুজাহিদুল ইসলাম মল্লিক বলেন, আমি সর্বোচ্চ মূল্য দিয়ে কিনেছি। মালের ডাক হয়েছে, তারপর নিয়ম মেনে কিনেছি। আমি শ্বশুরবাড়িতে নয়, আমার নিজের বাড়িতে নিয়েছি।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম মানিক বলেন, বিদ্যালয়ের অব্যবহৃত ও অতিরিক্ত মালামালগুলো যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং বিধি মোতাবেকই বিক্রি করা হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।

তদন্ত করে অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন।






স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : ড. এম এ কাইয়ুম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close