প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১২ পিএম

আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে একাধিক রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন বাংলাদেশের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। কিন্তু সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত থামতে হলো ৮৩ রানে। তাতে হাতছাড়া হয়েছে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ার সুযোগ। একই সঙ্গে ফিরে এসেছে ১৬ বছর আগের এক স্মৃতি, যখন সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও হতাশ হতে হয়েছিল তামিম ইকবালকে।
শুক্রবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন তানজিদ। ৭টি চার ও একটি ছক্কায় মাত্র ৪১ বলে তুলে নেন অর্ধশতক। ফিফটির পরও রান তোলার গতি কমাননি তিনি। জিয়াউর রহমান আকবরের বলে ছক্কা হাঁকানোর পাশাপাশি হাশমতউল্লাহ শহিদির বলেও চার ও ছক্কা মারেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
তানজিদের ব্যাটিংয়ে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল ঝোড়ো সেঞ্চুরির। লাঞ্চের আগেই তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারলে গড়া হতো বিরল এক কীর্তি। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম দিনের লাঞ্চের আগে কোনো ব্যাটারের সেঞ্চুরি করার ঘটনা ঘটেছে মাত্র ছয়বার। বাংলাদেশের কোনো ব্যাটার এখনো এই কীর্তি গড়তে পারেননি।
দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙারও সুযোগ ছিল তানজিদের সামনে। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি তামিম ইকবালের দখলে। ২০১০ সালে ম্যানচেস্টারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৪ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। তানজিদ সেই রেকর্ডের দিকে এগোচ্ছিলেন দারুণ গতিতে।
কিন্তু ব্যক্তিগত ৮৩ রানে ইসমাত আলমের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তানজিদ। তাতেই শেষ হয় তার ইনিংস এবং হাতছাড়া হয় সম্ভাব্য একাধিক রেকর্ড।
এ ঘটনার সঙ্গে মিলে যায় ২০১০ সালের স্মৃতি। সেবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে তামিম ইকবাল প্রথম দিনের লাঞ্চের আগে সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছেও থেমেছিলেন ৭১ বলে ৮৫ রানে। ১৬ বছর পর একই রকম সম্ভাবনা তৈরি করেও সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পারলেন না তানজিদ। দুই প্রজন্মের দুই তামিমের ইনিংস তাই মিলে গেল একই আক্ষেপে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি