প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৭ AM

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো সংলাপ ও কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে ইতিবাচকভাবে সমাধান করতে চায় বাংলাদেশ। এ জন্য ভারতের সঙ্গে খোলামেলা সংলাপের মাধ্যমে এগিয়ে গিয়ে সন্তোষজনক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চায় ঢাকা।
সোমবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর সমাপনী দিনের একটি অধিবেশনে বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে দিল্লিতে সহায়ক পরিবেশ তৈরির বিষয়ে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, দুই দেশের মধ্যে সচিব ও কর্মকর্তা পর্যায়ে সংলাপ ও কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা চলছে। এসব আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান করে ইতিবাচক ফলে পৌঁছানোর আশা করছেন তারা।
শীর্ষ পর্যায়ের সংলাপ কবে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শীর্ষ পর্যায়ের ডায়ালগ তো হবে যখন ভিজিট হবে। এর আগে অফিসিয়াল লেভেলের ডায়ালগের মাধ্যমে কনক্লুসিভ এনভায়রনমেন্ট করতে হবে। দুই পক্ষেরই এগিয়ে আসতে হবে।’
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে দিল্লিতে বসে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা ব্যক্তিদের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, প্রধান চ্যালেঞ্জ খুব বেশি কিছু চাওয়া নয়; দিল্লিতে বসে একজন সন্ত্রাসী বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। ভারত থেকে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সংযম দেখাচ্ছে এবং ভারত সরকারের কাছ থেকেও একই ধরনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বলে জানান তিনি। আঞ্চলিক সহযোগিতায় ভারতকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা কখনো ডায়ালগ ও ডিপ্লোমেসির দরজা বন্ধ করিনি। আমরা ডায়ালগ ও ডিপ্লোমেসির মাধ্যমে এগিয়ে যাব এবং সন্তোষজনক সিদ্ধান্তে পৌঁছাব।’
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে তিনি আশাবাদী কি না—জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমি আশাবাদী, এটা হবে।’
নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের খবর নিতে হলে বাংলাদেশ থেকেই নিতে হবে।’ নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী তুরস্কে জলবায়ু সম্মেলনে যেতে পারেন বলেও জানান তিনি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি