প্রকাশ: শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৪৪ AM আপডেট: ২২.১১.২০২৫ ৮:৪৭ এএম

ইসলামকে গাছ হিসেবে দাঁড় করাবার একটা সুযোগ এসে গেছে: মুফতি রেজাউল করীম
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, এই দেশে আযানের শব্দে বাচ্চাদের ঘুম ভাঙে, আযানের শব্দে বাচ্চারা মায়ের কোলে ঘরে যায়, সেই দেশে ইসলাম নামক নীতি-আদর্শ পরাজিত। এখন ৫ই আগস্টের পরে ইসলামকে গাছ হিসেবে দাঁড় করাবার একটা সুযোগ এসে গেছে।
গতকাল শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাতে পটুয়াখালী পৌর শহরের ঝাউতলায় বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি পটুয়াখালী জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলন ও ওয়াজ-মাহফিলে প্রধান অতিথির আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “ভারতের শকুন-চক্ষু আমাদের দেশের দিকে শকুন-চক্ষুর নজরে তাকিয়ে আছে, কীভাবে গণ্ডগোল বাজানো যায়। ওদের বড় একটি ক্ষেত্র হলো সংখ্যালঘু। ওরা তামাম বিশ্বের কাছে প্রচার করবে যে বাংলাদেশে হিন্দুদের জান-মালের ইজ্জতের কোনো নিরাপত্তা নেই, ওদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে।”
ভারতের মিডিয়ার বিভিন্ন মিথ্যা সংবাদ প্রচার সম্পর্কে রেজাউল করীম বলেন, “এরা রাতকে দিন বানিয়ে, দিনকে রাত বানিয়ে সংবাদ প্রচার করেছে। তখন বাংলাদেশে (হিন্দুরা) বাধ্য হয়ে বলেছে, এ ধরনের ঘটনা আমাদের বাংলাদেশে নেই।”
রেজাউল করীম বলেন, “আমরা নেমেছিলাম দেশকে রক্ষার জন্য সংখ্যালঘুদের জান-মাল-ইজ্জত, তাদের উপাসনালয়সহ কোনো কিছু যেন কেউ ক্ষতি করতে না পারে এবং রিউমার ছড়িয়ে তামাম বিশ্বের কাছে যেন দেশকে অশান্ত না করতে পারে; এজন্য আমরা নেমেছিলাম দেশকে সংরক্ষণের জন্য। যখন রাস্তায় কোনো ট্রাফিক ছিল না, তখন কিন্তু আমরা যারা ইসলামের নীতি-আদর্শ লালন করি, তখন আমরা নেমেছিলাম রাস্তায় খাদেম হিসেবে ট্রাফিক সিগনালের দায়িত্ব পালন করার জন্য। আর যাদের সাদেকিন বান্দাদের সঙ্গে সংস্পর্শ নেই, তারা তখন ওদের সংস্পর্শে যায়নি; তারা নেমেছে চাঁদাবাজির জন্য, ঘাট-স্টেশন দখলের জন্য, কেস বানিজ্যের জন্য।”
বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি আয়োজিত এই সম্মেলন ও ওয়াজ-মাহফিলে চরমোনাইয়ের বিভিন্ন জেলার ভক্ত-সমর্থক ও ইসলামপ্রিয় জনতা উপস্থিত ছিলেন। এসময় লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় পটুয়াখালী শহরের ঝাউতলা এলাকা।