প্রকাশ: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৩৬ পিএম

দামুড়হুদা উপজেলায় ইরি-বোরো ধানের মৌসুমকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা ধানের চারার জন্য বীজতলা প্রস্তুত করছেন। অগ্রহায়ণ মাস বোরো ধানের বীজতলা তৈরির উপযুক্ত সময় হওয়ায় চাষিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বীজতলায় রোদ পড়ে এমন উর্বর ও সেচ সুবিধাযুক্ত জমি নির্বাচন করেন চাষীরা। পানি দিয়ে জমিকে থক থকে কাদা করে এক মিটার চওড়া এবং জমির দৈর্ঘ্য অনুসারে লম্বা করে ভেজা বীজতলা তৈরি করা হয়। বীজ বপন করার আগে ৪৮-৭২ ঘণ্টা ধান ভালো ভাবে জাগ দিয়ে রাখতে হয়, এসময় ধানের অঙ্কুর গজাবে।
অঙ্কুরিত বীজ বীজতলায় ছিটিয়ে বপন করতে হয়। বোরো ধানের বীজতলার অতিরিক্ত ঠাণ্ঠায় পড়লে চারা যাতে নষ্ট না হয় তার জন্য কৃষকরা রাতের বেলা চারার উপরে সাদা পলিথিন দিয়ে থাকেন এবং পরদিন সকালে রোদ দেখা দিলে পলিথিন সরিয়ে রাখেন।
কৃষকরা বীজতলা প্রতিদিন সকালে একবার করে দেখে আসেন, কারণ বীজতলার চারা যাতে হলুদ ও পাতা ঝলসানো রোগে আক্রান্ত না হয় । কৃষকরা চারায় ইউরিয়া সার দিয়ে থাকে বীজতলা থেকে চারা তোলার এক সপ্তাহ আগে। এতে বীজতলার চারা পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা পায়।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৮ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ৮ হাজার ৭শত ৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে দামুড়হুদা উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ কুমার বিশ্বাস জানান, বিগত বছর গুলোতে এ উপজেলায় বোরো ধানের ব্যাপক আবাদ করা হয়। আশা করছি, এ বছরও বোরো ধানের ব্যাপক আবাদ হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ এমএস