ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম শফিকের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তার টাকা গ্রহণের ভিডিও ফাঁস হয়।
রোববার ও সোমবার ফেসবুকে প্রকাশিত ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, জনৈক ঠিকাদারের দেওয়ার একটি ফাইলের ভিতর থেকে ঘুসের টাকার সরিয়ে তার ড্রয়ারের ভিতর রাখতে দেখা যাচ্ছে। উক্ত উপ সহকারী প্রকৌশলী শফিক সুদীর্ঘদিন যাবৎ নান্দাইলে কর্মরত থেকে নান্দাইল এলজিইডি অফিসে বিশেষ একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে ঘুস বাণিজ্য করে যাচ্ছেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
এছাড়া উক্ত উপ:সহকারী তত্ত্বাবধানে থাকা বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজে শিডিউল বহির্ভূত কাজ অনিয়ম ও দূর্নীতিমূলক কাজ হলেও অজ্ঞাত কারণে তিনি সঠিক তদারকি তদারকি করেননি বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে এবং উক্ত উপ সহকারী প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে থাকা অনেক উন্নয়নমূলক কাজ সিডিউলে থাকা নির্ধারিত সময় চলে গেলেও বছরের পর বছর কাজ করা না হলেও উক্ত প্রকৌশলী নীরব ভূমিকা পালন করে থাকায় নান্দাইলের উন্নয়নমূলক কাজ সময় মত শেষ না হওয়ায় উন্নয়নকাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে সুধীমহল মত পোষণ করেন।
নান্দাইলের উন্নয়নমূলক কাজ ও জনস্বার্থে উক্ত উপসহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম শফিককে অবিলম্বে অন্যত্র বদলি সহ তদন্তমূলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অভিজ্ঞ মহল দাবি জানিয়েছেন।
এব্যাপারে উপ-সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের জন্য সোমবার নান্দাইল এলজিইডি গিয়ে পাওয়া যায়নি। পরে মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করার হলেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মালেক বিশ্বাস জানান, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়েছি।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ