প্রকাশ: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:২৭ পিএম

দীপাঞ্চল মহেশখালীতে দিন দিন বেড়েছে মশার উপদ্রব। সরকারি-বেসরকারি অফিস, দোকানপাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মশার উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হচ্ছে। এডিস মশার কারণে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।
১৬ নভেম্বর মহেশখালী হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা গেছে, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট ডেঙ্গু ওয়ার্ড নেই। হাসপাতালে ভর্তি রেজিস্ট্রার জানায়, জুন থেকে নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ৩৪০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা পেয়েছেন। তবে এই সময়ে হাসপাতালে কেউ মারা যাননি। কক্সবাজার জেলায় চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮ জন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মশা নিধন কার্যক্রম যথেষ্ট নয়। নিয়মিত ফগার মেশিন চালানো বা লার্ভা ধ্বংসে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত ঘরে থাকা দায় হয়ে গেছে। কুতুবজুম ইউনিয়নের বাসিন্দা সাইয়্যিদ মঞ্জু বলেন, “মশার কামড় অতিষ্ঠ করছে, শিশুরা ঘুমাতে পারছে না। কয়েল বা স্প্রে কাজ করছে না।”
পৌরসভার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান, ড্রেন, খাল ও আবর্জনা মশার প্রজননস্থলে পরিণত হয়েছে এবং ফগার মেশিনের ধোঁয়া পর্যাপ্ত না হওয়ায় কার্যকারিতা কম।
মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. মাহফজুল হক বলেন, “হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মশা নিধনে নিয়মিত ফগার মেশিন চালানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করছি।”
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে