প্রকাশ: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:৫৭ পিএম আপডেট: ১৭.১১.২০২৫ ৬:১৩ PM

পাবনায় ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থী হাফসাকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল পাবনা শহর। শনিবার (১৫ই নভেম্বর) পাবনা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড সরদারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হাফসাকে ধর্ষণ ও হত্যা করে নানির বাড়ির পাশের বাগানে ফেলে রেখে যায়, ঘটনা জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে ও মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত হাফসা মালঞ্চি ইউনিয়নের কামারগাঁও গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে ও ২য় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। কয়েকদিন আগে সে নানা বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।
এ ঘটনায় ওই রাতেই পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে দু'জনকে গ্রেফতার করলেও হত্যার দুইদিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এমন অভিযোগ এনে পাবনার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার সংগঠন, মহিলা পরিষদ পাবনা জেলা ছাত্রদলসহ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন এর ব্যানারে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পরে।
এসময় তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন। পরবর্তীতে পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ সড়কে অবস্থান করার ফলে তীব্র যানজট এর সৃষ্টি হয়।
প্রশাসন কে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বক্তারা বলেন হাফসা হত্যার দুইদিন পার হলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেনা আমরা চাই অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। যেন এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তা না হলে আমরা কঠোর আন্দোলন এ নামবো।
এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা হাতে কেরোসিন তেল নিয়ে বলেন যদি প্রশাসন আমাদের উপর কোন প্রকার বাঁধা প্রদানের ধৃষ্টতা দেখায় আমরা নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিব। ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয় পুরো এলাকা।
পরে পাবনা সদর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম এসে আসামিদের গ্রেফতার এর আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেয় জনগণ। এবিষয়ে ওসি সাংবাদিকদের বলেন আমরা প্রথমে সন্দেহভাজন ২জন ও পরে একজন কে গ্রেফতার করেছি এবং এই তিনজনই এজাহার ভুক্ত আসামি।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ